রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশাল থানাধীন আরমানিটোলা ও নাজিমুদ্দিন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারটি মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মো. শামীম আহমেদ নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মানুষের কঙ্কাল ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার কায়েতটুলী পুলিশ ফাঁড়ির ওসি নাজিমুদ্দিন রোড এলাকা থেকে শামীমকে দুইটি মানুষের কঙ্কালসহ গ্রেফতার করেন। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে আরমানিটোলাস্থ তার বাসা ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও দুইটি মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে মোট চারটি মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেফতার মো. শামীম আহমেদের বাবার নাম মৃত আব্দুল গনি এবং মায়ের নাম ছায়া বেগম। তিনি বংশালের লালপুর নয়াবাজার এলাকায় বসবাস করতেন। তার বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, শামীম আগে মিটফোর্ড হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি কঙ্কালের ব্যবসা শুরু করেন। উদ্ধার হওয়া কঙ্কালগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং কোথায় বিক্রির পরিকল্পনা ছিল—সেসব বিষয়ে তদন্ত চলছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বংশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা হিসেবে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া কঙ্কালগুলোর উৎস এবং এ চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
রাজধানীর পুরান ঢাকার বংশাল থানাধীন আরমানিটোলা ও নাজিমুদ্দিন রোড এলাকায় অভিযান চালিয়ে চারটি মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মো. শামীম আহমেদ নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি মানুষের কঙ্কাল ক্রয়-বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার কায়েতটুলী পুলিশ ফাঁড়ির ওসি নাজিমুদ্দিন রোড এলাকা থেকে শামীমকে দুইটি মানুষের কঙ্কালসহ গ্রেফতার করেন। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে আরমানিটোলাস্থ তার বাসা ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও দুইটি মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়। এ নিয়ে মোট চারটি মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার করে পুলিশ।
গ্রেফতার মো. শামীম আহমেদের বাবার নাম মৃত আব্দুল গনি এবং মায়ের নাম ছায়া বেগম। তিনি বংশালের লালপুর নয়াবাজার এলাকায় বসবাস করতেন। তার বাড়ি মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলায়।
পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, শামীম আগে মিটফোর্ড হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। প্রায় এক বছর আগে চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি কঙ্কালের ব্যবসা শুরু করেন। উদ্ধার হওয়া কঙ্কালগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে, কারা এর সঙ্গে জড়িত এবং কোথায় বিক্রির পরিকল্পনা ছিল—সেসব বিষয়ে তদন্ত চলছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বংশাল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান জানান, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা হিসেবে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পাশাপাশি উদ্ধার হওয়া কঙ্কালগুলোর উৎস এবং এ চক্রের সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, সে বিষয়েও তদন্ত চলছে।

আপনার মতামত লিখুন