ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি ও সম্ভাব্য চুক্তিতে ইসরাইলকে অন্তর্ভুক্ত না করায় দুদেশের মাঝে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে এবং এতে দখলদার দেশটি মোটেও খুশি নয়। তবে সম্ভাব্য এই চুক্তি নিয়ে ইসরাইলের ভেতরে গভীর উদ্বেগ তৈরি হলেও দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের উদ্বেগ কমানোর চেষ্টা করছেন।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরাইলি কর্মকর্তারা সম্ভাব্য চুক্তির যে খসড়া দেখেছেন, তা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। চুক্তিতে ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া এবং তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থায়ীভাবে বন্ধ করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় মূলত ইসরাইলের প্রধান উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সম্প্রতি এক্সে দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্ক এখনো শক্তিশালী আছে। পাশাপাশি তিনি তার কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করতে নির্দেশ দিয়েছেন, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক সামলাতে তিনি অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিতে চান এবং কোনো ভুল করতে চান না।
ইসরাইলি চ্যানেল ১২–এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সম্ভাব্য চুক্তির ফলে লেবাননে চলমান সংঘাত শেষ হলে ইসরাইলের সামরিক তৎপরতা সীমিত হয়ে যেতে পারে এবং এমন আশঙ্কা ইসরাইলি সেনাবাহিনীর ভেতরেও রয়েছে। বিশেষ করে লেবানন থেকে হওয়া ড্রোন হামলায় হতাহতের ঘটনা নিয়ে ইসরাইলে উদ্বেগ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দুদেশই ইরান যুদ্ধের পর থেকে একসঙ্গে কাজ করলেও এখন তাদের মধ্যে নীতিগত মতপার্থক্য বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইরানের এই সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ইসরাইলের সামরিক কৌশল, বিশেষ করে হিজবুল্লাহ ও ইরান ইস্যু মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হতে পারে।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি ও সম্ভাব্য চুক্তিতে ইসরাইলকে অন্তর্ভুক্ত না করায় দুদেশের মাঝে টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে এবং এতে দখলদার দেশটি মোটেও খুশি নয়। তবে সম্ভাব্য এই চুক্তি নিয়ে ইসরাইলের ভেতরে গভীর উদ্বেগ তৈরি হলেও দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের উদ্বেগ কমানোর চেষ্টা করছেন।
কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরাইলি কর্মকর্তারা সম্ভাব্য চুক্তির যে খসড়া দেখেছেন, তা নিয়ে তারা সন্তুষ্ট নন। চুক্তিতে ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া এবং তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি স্থায়ীভাবে বন্ধ করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত না থাকায় মূলত ইসরাইলের প্রধান উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সম্প্রতি এক্সে দাবি করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল সম্পর্ক এখনো শক্তিশালী আছে। পাশাপাশি তিনি তার কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য না করতে নির্দেশ দিয়েছেন, কারণ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক সামলাতে তিনি অত্যন্ত সতর্ক অবস্থান নিতে চান এবং কোনো ভুল করতে চান না।
ইসরাইলি চ্যানেল ১২–এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সম্ভাব্য চুক্তির ফলে লেবাননে চলমান সংঘাত শেষ হলে ইসরাইলের সামরিক তৎপরতা সীমিত হয়ে যেতে পারে এবং এমন আশঙ্কা ইসরাইলি সেনাবাহিনীর ভেতরেও রয়েছে। বিশেষ করে লেবানন থেকে হওয়া ড্রোন হামলায় হতাহতের ঘটনা নিয়ে ইসরাইলে উদ্বেগ আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল দুদেশই ইরান যুদ্ধের পর থেকে একসঙ্গে কাজ করলেও এখন তাদের মধ্যে নীতিগত মতপার্থক্য বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় ইরানের এই সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ইসরাইলের সামরিক কৌশল, বিশেষ করে হিজবুল্লাহ ও ইরান ইস্যু মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন