চলতি বছর পবিত্র হজে ইন্দোনেশীয় হজযাত্রীদের কুরবানির পশুর গোশত যুদ্ধবিধ্বস্ত ও নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী দাহনীল আনজার সিমানজুনাতাক এই মানবিক উদ্যোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, হজের সময় কুরবানি করা পশুর গোশত যেন ফিলিস্তিনি জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সৌদি সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া কুরবানির মাংস ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা সৌদি আরবের ‘আদাহি প্রজেক্ট’-এর কাছেও বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবো সুবিয়ান্তো-এর নির্দেশনায় এই মানবিক উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ার ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৩২ জন হজযাত্রী তাদের কুরবানির পশুর অর্থ পরিশোধ করেছেন।
ফিলিস্তিনের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে মুসলিম বিশ্বের এমন উদ্যোগকে ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও মানবতার এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে কুরবানির প্রকৃত চেতনা শুধু পশু জবাইয়ের মধ্যে নয়, বরং অভাবগ্রস্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মধ্যেই নিহিত।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
চলতি বছর পবিত্র হজে ইন্দোনেশীয় হজযাত্রীদের কুরবানির পশুর গোশত যুদ্ধবিধ্বস্ত ও নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী দাহনীল আনজার সিমানজুনাতাক এই মানবিক উদ্যোগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, হজের সময় কুরবানি করা পশুর গোশত যেন ফিলিস্তিনি জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যে সৌদি সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া কুরবানির মাংস ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা সৌদি আরবের ‘আদাহি প্রজেক্ট’-এর কাছেও বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ করা হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবো সুবিয়ান্তো-এর নির্দেশনায় এই মানবিক উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ার ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৩২ জন হজযাত্রী তাদের কুরবানির পশুর অর্থ পরিশোধ করেছেন।
ফিলিস্তিনের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে মুসলিম বিশ্বের এমন উদ্যোগকে ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও মানবতার এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই উদ্যোগ প্রমাণ করে যে কুরবানির প্রকৃত চেতনা শুধু পশু জবাইয়ের মধ্যে নয়, বরং অভাবগ্রস্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর মধ্যেই নিহিত।

আপনার মতামত লিখুন