নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মো. সামির (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত শিশুটি জেলার সুবর্ণচর উপজেলার চর কাটাখালি গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে।
স্বজনরা জানান, শনিবার বিকেল ৪টার দিকে হামের উপসর্গ নিয়ে সামিরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসকদের মতে, নোয়াখালীতে চলতি মৌসুমে হামের উপসর্গ নিয়ে এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিলের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৫০ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে এখানে চিকিৎসা নিয়েছে এবং প্রতিদিন গড়ে ২০ জন নতুন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালটির শিশু ওয়ার্ডে ১০৪ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে হঠাৎ রোগীর চাপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালটিতে শয্যা (বেড), ওষুধ, চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফ সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে অনেক অভিভাবককে বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে এবং চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাজীব আহম্মেদ চৌধুরী শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

রোববার, ২৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মো. সামির (৭) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত শিশুটি জেলার সুবর্ণচর উপজেলার চর কাটাখালি গ্রামের মফিজুল হকের ছেলে।
স্বজনরা জানান, শনিবার বিকেল ৪টার দিকে হামের উপসর্গ নিয়ে সামিরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। চিকিৎসকদের মতে, নোয়াখালীতে চলতি মৌসুমে হামের উপসর্গ নিয়ে এটিই প্রথম মৃত্যুর ঘটনা।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের এপ্রিলের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৯৫০ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে এখানে চিকিৎসা নিয়েছে এবং প্রতিদিন গড়ে ২০ জন নতুন শিশু হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালটির শিশু ওয়ার্ডে ১০৪ জন শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এদিকে হঠাৎ রোগীর চাপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় হাসপাতালটিতে শয্যা (বেড), ওষুধ, চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফ সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। ফলে অনেক অভিভাবককে বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে ওষুধ কিনতে হচ্ছে এবং চিকিৎসা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. রাজীব আহম্মেদ চৌধুরী শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ও আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা দিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন