প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
কূটনৈতিক মধ্যস্থতায় বিশ্বমঞ্চে নতুন উচ্চতায় পাকিস্তান
ঢাকা নিউজ ডেস্ক ||
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত আলোচনা কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলেও এই প্রক্রিয়ায় কূটনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি লাভবান হয়েছে পাকিস্তান। দুই দেশের মধ্যে সফল মধ্যস্থতা ও আলোচনার আয়োজন করে পাকিস্তান বিশ্বমঞ্চে নিজেদের নতুনভাবে তুলে ধরেছে। ট্রাম্প প্রশাসনের সাবেক বিশেষ প্রতিনিধি এলিয়ট অ্যাব্রামসের মতে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে পাকিস্তান মানচিত্রে নিজেদের অবস্থান সুসংহত করার পাশাপাশি ব্যাপক সুনাম অর্জন করেছে।ইরান ও চীনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে অন্যান্য উপসাগরীয় দেশগুলোর তুলনায় নিরপেক্ষ অবস্থান থাকায় পাকিস্তান এই বিশেষ সুযোগ পেয়েছে। বিশেষ করে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর থেকে তাকে সন্তুষ্ট করতে পাকিস্তান ধারাবাহিকভাবে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। যার মধ্যে আইএস সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার, ট্রাম্পকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন এবং তার পরিবারের ক্রিপ্টো ব্যবসার সঙ্গে চুক্তি সইয়ের মতো বিষয়গুলো অন্যতম।থিঙ্কট্যাঙ্ক স্টিমসন সেন্টারের পরিচালক এলিজাবেথ থ্রেলকেল্ডের মতে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে নেতাদের ব্যক্তিগত আস্থা না থাকলে এই আলোচনার আয়োজন সম্ভব হতো না। ইসলামাবাদ সফর শেষে ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ও প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফকে ‘অসাধারণ মানুষ’ হিসেবে উল্লেখ করে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সও পাকিস্তানের ‘অবিশ্বাস্য আতিথেয়তার’ প্রশংসা করেছেন।এই সম্পর্ক উন্নয়নে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির বড় ভূমিকা রেখেছেন, যাকে ট্রাম্প তার ‘প্রিয় ফিল্ড মার্শাল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। যদিও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের ক্ষমতা নিয়ে কিছু সংশয় রয়েছে, তবে আরব কূটনীতিকদের মতে, আমেরিকা যেভাবে পাকিস্তানকে স্বীকৃতি দিয়েছে তাতে ভবিষ্যতে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে পাকিস্তানই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মধ্যস্থতাকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ওমর ফারুক
প্রকাশক: আনোয়ার শাহ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ