প্রিন্ট এর তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৫ মার্চ ২০২৬
অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’: ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ৮৮তম বড় হামলা
ঢাকা নিউজ ডেস্ক ||
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের তীব্রতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। আজ বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে তারা ইসরায়েল এবং এই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে তাদের ৮৮তম দফা বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সম্পন্ন করার দাবি করেছে।অভিযানের মূল লক্ষ্য ও বিস্তারিত:অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪: আইআরজিসি জানিয়েছে, এই হামলাগুলো তাদের বিশেষ সামরিক অভিযান ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর অংশ। এর মূল লক্ষ্য উত্তর ফিলিস্তিন ও গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর সমাবেশস্থলগুলোকে আঘাত করা।ইসরায়েলের ভেতর আঘাত: ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো তেল আবিব, কিরিয়াত শমোনা এবং বনেই ব্রাক এলাকায় আঘাত হেনেছে। বিশেষ করে সাফেদ শহরের উত্তরে অবস্থিত একটি ইসরায়েলি ‘সামরিক কমান্ড কেন্দ্র’ এবং বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনা ধ্বংসের দাবি করেছে ফার্স নিউজ।মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা: আইআরজিসি আরও দাবি করেছে যে, তারা কুয়েত, জর্ডান এবং বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোকে এই অভিযানে সরাসরি লক্ষ্যবস্তু করেছে।কৌশলগত উদ্দেশ্য: উত্তর ইসরায়েলের সেইসব ঘাঁটিগুলোতে বেশি হামলা চালানো হয়েছে, যেখান থেকে ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে অভিযান পরিচালনা করছিল।যুদ্ধের বর্তমান প্রেক্ষাপট:
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন এক মাসের যুদ্ধবিরতি এবং ১৫ দফা শর্ত নিয়ে আলোচনার কথা বলছেন, ঠিক সেই সময়েই ইরানের এই ৮৮তম দফা হামলা প্রমাণ করে যে তেহরান সামরিকভাবে পিছিয়ে যেতে নারাজ। বিশেষ করে আজ সকালে কুয়েত বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা এবং হিজবুল্লাহর সাথে যৌথভাবে উত্তর ইসরায়েলে চালানো অভিযান পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের নতুন নিরাপত্তা প্রধান মোহাম্মদ বাঘের জোলঘাদর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর তীব্রতা অনেক বেড়ে গেছে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ওমর ফারুক
প্রকাশক: আনোয়ার শাহ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ