প্রিন্ট এর তারিখ : ১৩ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ মে ২০২৬
ইরাকে ইসরাইলি সামরিক ঘাঁটির অস্তিত্ব নাকচ বাগদাদের
ঢাকা নিউজ ডেস্ক ||
ইরাকের নজাফ মরুভূমি এলাকায় ইসরাইলের কোনো গোপন সামরিক ঘাঁটি বা অননুমোদিত স্থাপনা থাকার খবর সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার ওই এলাকা সরেজমিন পরিদর্শনের পর কর্তৃপক্ষ জানায়, সমগ্র অঞ্চলটি বর্তমানে ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও নিবিড় নজরদারির আওতায় রয়েছে। মূলত বিভিন্ন গণমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অজ্ঞাত ঘাঁটির উপস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি মূল্যায়নে এই পরিদর্শন চালানো হয়।ইরাকি বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, অনুমোদিত সামরিক ও গোয়েন্দা পরিকল্পনার মাধ্যমে নজাফ মরুভূমির সব অংশ নিরাপদ রাখা হয়েছে। সেখানে কোনো অজ্ঞাত সামরিক তৎপরতা বা স্থাপনার অস্তিত্ব নেই উল্লেখ করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছে ইরাক সরকার। এর আগে একটি জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা সূত্র আনাদোলুকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানায়, ইরানবিরোধী বিমান হামলায় সহায়তার জন্য ইসরাইল ইরাকে গোপন ঘাঁটি স্থাপন করেছে—এমন দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা।তবে সোমবার রাতে ইরাকি জয়েন্ট অপারেশনস কমান্ডের সিকিউরিটি মিডিয়া সেল এক বিবৃতিতে গত ৫ মার্চের একটি সংঘাতের ঘটনা প্রকাশ করেছে। ওই সময় কারবালার মরুভূমি ও নজাফ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনী একটি অননুমোদিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর মুখোমুখি হয়, যাদের আকাশপথ থেকে সহায়তা দেওয়া হচ্ছিল। সেই সংঘর্ষে ইরাকি বাহিনীর একজন সদস্য নিহত ও দুজন আহত হন। যদিও বর্তমানে ওই সশস্ত্র গোষ্ঠী এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়েছে এবং পুরো অঞ্চলটি এখন সুরক্ষিত রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে দাবি করেছিল, ইরানের বিরুদ্ধে হামলা সমর্থনে ইসরাইল ইরাকের মরুভূমিতে একটি গোপন সামরিক স্থাপনা ও লজিস্টিক কেন্দ্র গড়ে তুলেছে। সেখানে ইসরাইলি বিশেষ বাহিনী মোতায়েন রয়েছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ইরাকি কর্তৃপক্ষ এই প্রতিবেদনকে নাকচ করে দিয়ে স্পষ্ট জানিয়েছে যে, আন্তর্জাতিক সীমান্ত পর্যন্ত সমগ্র মরুভূমি অঞ্চলে নিয়মিত তল্লাশি ও নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ওমর ফারুক
প্রকাশক: আনোয়ার শাহ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ