প্রিন্ট এর তারিখ : ২২ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
খুনি সোহেলের অতীতেও ছিল নানা অপকর্ম
ঢাকা নিউজ ডেস্ক ||
রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে গ্রেফতারের পর তার অতীত জীবনের নানা অপকর্মের তথ্য সামনে এসেছে। নাটোরের মহেশচন্দ্রপুরের বাসিন্দা সোহেল এলাকায় রিকশা মেরামতের কাজ করার পাশাপাশি মাদক ও অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিল। জুয়ায় জড়িয়ে ঋণে জর্জরিত হওয়া এবং ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের জেরে ১০ বছরের প্রথম সংসার ভাঙার পর পরিবারের চাপে সে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়। তিন বছর আগে দ্বিতীয় বিয়ে করে সে ঢাকায় চলে এলেও তার অপরাধপ্রবণতা কমেনি, যার সর্বশেষ বহিঃপ্রকাশ ঘটে পল্লবীর সাবলেট ঘরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার মাধ্যমে।ঢাকায় এসে সোহেল রানা একই গ্রামের সাদ্দাম ও হানিফের সহায়তায় মিরপুরের পল্লবীতে একটি ফ্ল্যাটে সাবলেট নেয় এবং একটি গ্যারেজে কাজ শুরু করে। তবে নিয়মিত কাজে অনুপস্থিত থাকার কারণে গ্যারেজের মালিক ও ভবনের কেয়ারটেকার মনির তাকে কাজ থেকে বাদ দিয়ে দেন। ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া মাসুদ জানান, কেয়ারটেকারের কথামতোই তিনি সোহেলকে সাবলেট দিয়েছিলেন। এর আগে সাদ্দামের মাধ্যমে বিহারি ক্যাম্পের একটি বাসায় সাবলেট থাকলেও নিয়মিত ইয়াবাসেবনের কারণে বাড়ির মালিক তাকে দুই মাসের মাথায় বাসা থেকে বের করে দিয়েছিলেন।সোহেল রানার এই অপরাধমূলক জীবনযাপনের বিষয়ে তার ছোট বোন জলি বেগম জানিয়েছেন, মাদক, জুয়াসহ নানা অপকর্মে জড়িত থাকার কারণে বছর তিনেক আগেই পরিবার থেকে তাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘদিন ধরে পরিবারের সঙ্গে তার কোনো যোগাযোগ ছিল না এবং সে মা-বাবার ভরণপোষণের খরচও দিত না। ঢাকায় আসার পরও তার স্বভাবের কোনো পরিবর্তন হয়নি, যার চূড়ান্ত পরিণতি রূপ নেয় শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ওমর ফারুক
প্রকাশক: আনোয়ার শাহ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ