প্রিন্ট এর তারিখ : ২২ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬
কুরবানির পশুর নাম ‘ট্রাম্প’ বা ‘মোদি’ রাখা কি জায়েজ? জানুন ইসলামের স্পষ্ট বিধান
ঢাকা নিউজ ডেস্ক ||
কুরবানি ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত এবং মহান আল্লাহর বিশেষ নিদর্শন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কুরবানির পশুর নাম নিয়ে রাজনৈতিক নেতা বা আলোচিত ব্যক্তিদের নাম ব্যবহারের একটি বিদ্রূপাত্মক সংস্কৃতি দেখা যাচ্ছে। ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী পশুপাখির সুন্দর ও মার্জিত নাম রাখা সম্পূর্ণ বৈধ হলেও মানুষের নামে বা মানুষের জন্য ব্যবহৃত বিশেষ নামে পশুর নামকরণ ইসলামি আদব ও শালীনতার পরিপন্থী। মানুষকে আল্লাহ সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে সম্মানিত করায় কোনো পশুকে মানুষের নামে ডাকা পরোক্ষভাবে মানুষের মর্যাদা খাটো করার শামিল হতে পারে।অনেক সময় বিদ্বেষ বা উপহাসের উদ্দেশ্যে কুরবানির পশুর নাম রাখা হয় বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক নেতা বা বিতর্কিত ব্যক্তির নামে, যা ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে পশুর নামকরণ ইসলামি আদর্শের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং কুরবানির মতো পবিত্র ইবাদতের গাম্ভীর্য নষ্ট করে। কুরবানি কোনো বিনোদন বা রাজনৈতিক ব্যঙ্গের মাধ্যম নয়, বরং এটি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি ইবাদত। সেখানে বিদ্রূপ, তামাশা বা সস্তা জনপ্রিয়তা যুক্ত হলে ইবাদতের একনিষ্ঠতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি তা কবিরা গুনাহের পর্যায়েও পৌঁছে যেতে পারে।কুরবানির মূল উদ্দেশ্য পশুর নাম প্রচার করা নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তাকওয়া অর্জন করা। তাই ইসলামি চিন্তাবিদদের মতে, একজন সচেতন মুমিনের দায়িত্ব হলো কুরবানির মতো পবিত্র ইবাদতকে সব ধরনের কুরুচিপূর্ণ সংস্কৃতি, বিদ্রূপ ও অহেতুক প্রদর্শনী থেকে মুক্ত রাখা এবং আল্লাহর নিদর্শনের প্রতি সম্মান ও গাম্ভীর্য বজায় রাখা।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ওমর ফারুক
প্রকাশক: আনোয়ার শাহ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ