প্রিন্ট এর তারিখ : ২৪ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬
তীব্র গরমে ঠাণ্ডা পানি পানের ভালো-মন্দ
ঢাকা নিউজ ডেস্ক ||
গ্রীষ্মের দাবদাহে ফ্রিজের এক গ্লাস ঠাণ্ডা পানি মুহূর্তেই শরীরকে চাঙ্গা করে ও তৃষ্ণা মেটায়। স্বাভাবিক পানির তুলনায় এটি শরীরের ভেতরের তাপমাত্রা দ্রুত কমায়, ঝিমুনি ভাব দূর করে ক্লান্তি কমায় এবং বারবার পানি পানের আগ্রহ তৈরি করে শরীরকে পানিশূন্যতা থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।তবে উপকারিতা থাকলেও সব পরিস্থিতিতে ঠাণ্ডা পানি উপযোগী নাও হতে পারে। খাবার খাওয়ার সময় বা পরপরই অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি পান করলে পরিপাকতন্ত্রের রক্তনালী সংকুচিত হয়ে হজমপ্রক্রিয়া শ্লথ হয়ে যায় এবং পেট ফাঁপা বা পেট ব্যথার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।হঠাৎ খুব দ্রুত ঠাণ্ডা পানি খেলে মুখের ভেতরের স্নায়ু সংকুচিত হয়ে তীব্র মাথাব্যথা বা ‘ব্রেন ফ্রিজ’ হতে পারে এবং যাদের টনসিল বা শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা আছে, তাদের গলা ব্যথা হতে পারে। এছাড়া মাইগ্রেন, সাইনাসাইটিস বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষের ক্ষেত্রে এটি সমস্যা আরও বাড়িয়ে দেয় এবং ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসাপদ্ধতি আয়ুর্বেদ মতেও অতিরিক্ত ঠাণ্ডা পানি শরীরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য বা হজম ক্ষমতাকে বাধাগ্রস্ত করে।তীব্র গরমে সুস্থ থাকতে বিশেষজ্ঞরা খাবারের সময় ফ্রিজের ঠাণ্ডা পানি এড়িয়ে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি পান করা এবং কখনোই এক ঢোকে অনেকখানি পানি না খেয়ে চুমুক দিয়ে আস্তে আস্তে পান করার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি শরীরে পানির ঘাটতি মেটাতে তরমুজ, শসা, কমলার মতো জলীয় অংশ সমৃদ্ধ ফল ও সবজি বেশি খাওয়ার কথা বলা হয়েছে।সাধারণভাবে সুস্থ মানুষের জন্য গরমে ঠাণ্ডা পানি পান করা নিরাপদ হলেও এর পরিমাণ এবং সময় সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ওমর ফারুক
প্রকাশক: আনোয়ার শাহ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ