প্রিন্ট এর তারিখ : ৩১ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬
আসিফের দুর্নীতির কারণেই জামায়াত আমির আসন ছাড়েননি বলে রাশেদ খাঁনের দাবি
ঢাকা নিউজ ডেস্ক ||
জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন বা এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদ দুর্নীতি করার কারণে স্বয়ং জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১০ আসন ছাড়েননি বলে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খান। রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডির এক পোস্টে তিনি এই দাবি করেন। রাশেদ বলেন, সাংবাদিকরা জামায়াত আমিরকে জিজ্ঞেস করলেই এ বিষয়ে সঠিক উত্তর পাবেন এবং তিনি যদি ইমানদার হন, তবে হয়তো বিষয়টি এড়িয়ে যাবেন কিংবা কোনো উত্তর দেবেন না; তবে বিষয়টি এনসিপির নীতিনির্ধারণী মহলের সবাই জানে।বিএনপির এই নেতা উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক কারণে নাহিদ ইসলাম এ বিষয় অস্বীকার করতে পারলেও এটি শতভাগ সত্য এবং এখানে বিন্দু পরিমাণ ভেজাল নেই। তিনি একটি ক্লু ধরে আসিফ মাহমুদ ও তাঁর এপিএস মোয়াজ্জেমের দুর্নীতির তথ্য পেয়েছিলেন এবং এ বিষয়ে অন্য একজন উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করলে তিনিও বিষয়টি শুনে অবাক হয়েছিলেন বলে জানান। রাশেদ খাঁন আরও দাবি করেন, জেলা প্রশাসক (ডিসি) কেলেঙ্কারির তথ্যও অসত্য নয় এবং এর সঙ্গে হাসনাত ও সারজিস জড়িত ছিলেন, যা তিনি তাদের বিশ্বস্ত মানুষদের কাছ থেকে পাওয়া কিছু ক্লু-এর মাধ্যমে জানতে পেরেছেন।পোস্টে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, নাসীরুদ্দীন প্রায়ই আওয়ামী লীগের সম্পদ দখল ও টাকা-পয়সা ছাড়া রাজনীতি হবে না বলে মন্তব্য করত। নাহিদ ইসলামের মন্ত্রী পাড়ার বাসায় রাজনৈতিক আলোচনায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর মুখ থেকে সবসময় টাকা-পয়সার আলাপ আসত উল্লেখ করে তিনি জানান, প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ মূলত নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পরামর্শেই নিয়োগ পায়, কারণ সে নাসীরুদ্দীনের সঙ্গে জাতীয় নাগরিক কমিটিতে ছিল। মোহাম্মদ এজাজের মাধ্যমে অর্জিত টাকা-পয়সা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও এনসিপির কাছে যায় এবং এনসিপির শীর্ষ এক ডজন নেতা ব্যাপক দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকা এখন ওপেন সিক্রেট।রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে সারজিসের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, নিশ্চয়ই কেউ ভুলে যাননি সারজিসের কাছে এক নারীর ৭ লাখ টাকা দেওয়ার ভিডিওর কথা, যেখানে কাজ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে মোট ৪৮ লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলে ওই নারী অভিযোগ করেন। পোস্টের শেষে বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেন যে, শহীদ ওসমান হাদি এনসিপির যে তিনটি অপরাধ চিহ্নিত করে গেছেন, তার মধ্যে অন্যতম হলো এনসিপির দুর্নীতি। শহীদ ওসমান হাদি নিশ্চয়ই মিথ্যা বলে যাননি উল্লেখ করে তিনি বলেন, মিথ্যা বললে এনসিপি সরাসরি বলুক যে শহীদ ওসমান হাদি এনসিপি সম্পর্কে বিষোদগার করে গেছেন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ওমর ফারুক
প্রকাশক: আনোয়ার শাহ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ