প্রিন্ট এর তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
যেকোনো উপায়ে’ উন্মুক্ত হবে হরমুজ প্রণালি: ইরানকে চরম মূল্যের হুঁশিয়ারি মার্কো রুবিওর
ঢাকা নিউজ ডেস্ক ||
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের তীব্রতার মাঝেই বিশ্ব জ্বালানি করিডোর হরমুজ প্রণালি নিয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (৩০ মার্চ) আল জাজিরাকে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান রাজি থাকুক বা না থাকুক, যুদ্ধ শেষে ‘যেকোনো উপায়ে’ এই আন্তর্জাতিক জলপথ উন্মুক্ত করা হবে। ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই পথটি বন্ধ থাকায় বিশ্ব তেলের বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, তা নিরসনে ওয়াশিংটন প্রয়োজনে সামরিক শক্তি প্রয়োগের ইঙ্গিত দিয়েছে।মার্কো রুবিও দাবি করেছেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক সমাধান পছন্দ করেন এবং বর্তমানে পাকিস্তানসহ বিভিন্ন মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে ‘গোপন আলোচনা’ চলছে। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব এই সম্পদ সাধারণ মানুষের কাজে না লাগিয়ে হিজবুল্লাহ ও হামাসের মতো গোষ্ঠীর পেছনে ব্যয় করছে, যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি। রুবিও সরাসরি ইরানে ‘শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন’ (Regime Change) দেখার আকাঙ্ক্ষাও ব্যক্ত করেছেন। তিনি জানান, মার্কিন বাহিনীর মূল লক্ষ্য হলো কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন তৈরির কারখানাগুলো পুরোপুরি গুঁড়িয়ে দেওয়া।উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা প্রসঙ্গে রুবিও বলেন, সৌদি আরব, কাতার ও আমিরাতের মতো প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলোকে লক্ষ্য করেই ইরান তাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়িয়েছে। তাই এই অঞ্চলের দীর্ঘমেয়াদী শান্তির জন্য ইরানের সামরিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া জরুরি। হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের সার্বভৌমত্বের দাবি নাকচ করে দিয়ে তিনি সতর্ক করেন যে, তেহরান যদি নিজে থেকে এই পথ খুলে না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের সমন্বয়ে গঠিত আন্তর্জাতিক জোট এটি উন্মুক্ত করতে বাধ্য করবে এবং এর জন্য ইরানকে ‘চরম মূল্য’ দিতে হবে।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ওমর ফারুক
প্রকাশক: আনোয়ার শাহ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ