প্রিন্ট এর তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় বিরোধীদল বললেন প্রধানমন্ত্রী
ঢাকা নিউজ ডেস্ক ||
দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করা ও মানুষকে বিভ্রান্ত করা বিরোধীদলের উদ্দেশ্য বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চায় বর্তমান সরকার, কিন্তু বিরোধীদল জনগণকে বিভ্রান্ত করতে চায়। আজ সময় এসেছে কারা জনগণের বন্ধু কারা নয়— সেটি সঠিকভাবে নির্ণয় করতে হবে।শনিবার সকালে কক্সবাজারে পাতালী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে এক পথসভায় তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতি মানুষের জন্য এবং সে জন্যই কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য খালখনন কর্মসূচি শুরু করা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষক ভাইদের বীজ ও কীটনাশক ওষুধ কেনার জন্য এককালীন আড়াই হাজার টাকার একটি সুবিধা দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ৭০ থেকে ৮০ ভাগ মানুষ গ্রামে-গঞ্জে মিলিয়ে খেটে খাওয়া মানুষ। দেশের জনসংখ্যার অর্ধেক নারী এবং এই নারীদের দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বিনা মূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিয়ে গেছেন। নারীরা স্বাবলম্বী না হলে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে পারবে না, সে জন্য নারীদের স্নাতক ও ডিগ্রি পর্যন্ত শিক্ষা বর্তমান সরকার ফ্রি করার ঘোষণা দিয়েছে এবং ভালো ফলাফলের জন্য উপবৃত্তির ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।এর আগে, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি সকাল ১০টায় কক্সবাজার বিমানবন্দরে অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান রয়েছেন।পাতলী খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে মাসুমঘাট সংরক্ষিত বনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান। এরপর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত কক্সবাজারের শহিদ ওয়াসীমের কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন তিনি। পাশাপাশি পেকুয়া পৌরসভা ও নতুন মাতামুহুরী উপজেলার অবকাঠামোগত কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন।রাজনৈতিকভাবে সফরের সবচেয়ে আলোচিত আয়োজন হতে যাচ্ছে চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনাল মাঠের জনসভা। বিকেলে অনুষ্ঠিতব্য এ সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। দিনের শেষ ভাগে তিনি কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত ও মেরিন ড্রাইভ এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং পরে একটি সুধী সমাবেশে অংশ নিয়ে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন। নির্ধারিত কর্মসূচি শেষে রাতেই বিমানযোগে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তার।প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কক্সবাজারজুড়ে প্রশাসনিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। নিরাপত্তা, জনসভা আয়োজন এবং সরকারি কর্মসূচিগুলো সফলভাবে সম্পন্ন করতে স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীরা প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া একাধিক মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী আগেই কক্সবাজারে পৌঁছে সফর-সংক্রান্ত কার্যক্রম সমন্বয় করছেন।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ওমর ফারুক
প্রকাশক: আনোয়ার শাহ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ