প্রিন্ট এর তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জুন ২০২৬
ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্তা, খুলশী থানার ওসি প্রত্যাহার
ঢাকা নিউজ ডেস্ক ||
বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও থানায় হেনস্থার ঘটনায় চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৩ জুন) রাতে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী প্রত্যাহারের এই আদেশ দেন।সিএমপি কমিশনার জানান, খুলশী থানার ওসিকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং সিএমপি বিশেষ শাখার পরিদর্শক জাহিদুল কবিরকে বাকলিয়া থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।এর আগে গত শুক্রবার রাতে এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তারা হলেন—খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ও কনস্টেবল মো. রাসেল চৌধুরী। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশের সোর্স সোহেলকেও আটক করা হয়েছে বলে সিএমপি কমিশনার নিশ্চিত করেছেন।ঢাকায় প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষে বাসায় ফেরার পথে গত শুক্রবার রাতে চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে নামিয়ে ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধর ও হেনস্তার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে তাকে থানায় নিয়ে গিয়েও হেনস্তা করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ তোলেন।ক্রিকেটার নাঈম হাসান সাংবাদিকদের জানান, রাতের ফ্লাইটে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে নামার পর তিনি অটোরিকশা করে বাসার উদ্দেশে রওয়ানা হন। এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার সময় লালখান বাজার এলাকায় পুলিশ অটোরিকশাটি থামানোর সংকেত দিয়ে চালকের কাছ থেকে গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে নেয়। এরপর গাড়ি থেকে নামিয়ে নাঈম হাসানকে লাঠি ও পাইপ দিয়ে মারধর করেন খুলশী থানার এসআই শফিকুল ইসলাম ও পুলিশের সোর্স সোহেল।মারধরের একপর্যায়ে একটি অটোরিকশায় করে নাঈমকে খুলশী থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেও তাকে হেনস্তা করা হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপে তিনি থানা থেকে ছাড়া পান।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ওমর ফারুক
প্রকাশক: আনোয়ার শাহ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ