প্রিন্ট এর তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
পছন্দের ৫টি ফল কি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে? হৃদরোগীদের জন্য জরুরি সতর্কতা
||
সাধারণত বলা হয়, ফল খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। কিন্তু হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে সব ফল সমান সুফল বয়ে আনে না। বরং কিছু নির্দিষ্ট ফল অতিরিক্ত পরিমাণে গ্রহণ করলে তা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে হৃদযন্ত্রের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে যেসব ফলে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ বেশি, সেগুলো হার্টের রোগীদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠার সম্ভাবনা থাকে।যাদের উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য অতিরিক্ত ফলপ্রীতি বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। গবেষণায় উঠে এসেছে এমন ৫টি ফলের নাম, যা পরিমিত না খেলে হৃদরোগীদের জন্য তা ‘রেড জোন’ হিসেবে গণ্য হতে পারে।১. আম: স্বাদ ভালো হলেও ঝুঁকি বেশিফলের রাজা আম স্বাদে অতুলনীয় হলেও এতে চিনির পরিমাণ অনেক বেশি। অতিরিক্ত আম খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যায়, যা পরোক্ষভাবে হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। তাই হৃদরোগীদের আম খাওয়ার ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।২. অতিরিক্ত পাকা কলাকলা পটাশিয়ামের ভালো উৎস হলেও অতিরিক্ত পাকা কলায় থাকা চিনি খুব দ্রুত রক্তে মিশে যায়। এটি রক্তচাপ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ হতে পারে। তাই হৃদরোগীদের জন্য অতিরিক্ত পাকা কলা এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ।৩. আঙুর ও লিচুএই দুটি ফলেই ফ্রুক্টোজের মাত্রা অত্যন্ত বেশি থাকে। আঙুর বা লিচু খাওয়ার ফলে রক্তে শর্করার আকস্মিক উল্লম্ফন (Spike) ঘটে। এই ধরনের হঠাৎ পরিবর্তন হৃদযন্ত্রের জন্য মোটেও সুখকর নয়।৪. তরমুজগ্রীষ্মের তপ্ত দুপুরে তরমুজ শরীর ঠান্ডা রাখলেও এতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা থাকে। এটি শরীরে ইনসুলিনের মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দিতে পারে, যা হৃদরোগীদের জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।৫. মিষ্টি স্বাদের ফল বনাম ফাইবারযুক্ত ফলচিকিৎসকদের মতে, এক বাটি আঙুর বা কয়েক ফালি আমের চেয়ে আপেল, পেয়ারা কিংবা পেঁপের মতো ফাইবার সমৃদ্ধ ফল হৃদযন্ত্রের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ। ফাইবার সমৃদ্ধ ফলগুলো রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হার্টকে সুস্থ রাখে।বিশেষজ্ঞের পরামর্শ:
ফল স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় হলেও হৃদরোগী বা ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে পরিমিতিবোধ বজায় রাখা জরুরি। যেকোনো ফল খাদ্যতালিকায় নিয়মিত রাখার আগে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ওমর ফারুক
প্রকাশক: আনোয়ার শাহ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ