প্রিন্ট এর তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
বগুড়ায় দুর্ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া শিশু: প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ
||
বগুড়ার শেরপুরে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মা-বাবাসহ পরিবারের সবাইকে হারিয়ে অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া দেড় বছর বয়সী সেই শিশুটির পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শিশুটির চিকিৎসা ও ভবিষ্যতের যাবতীয় দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে মানবিকতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।সংবাদটির মূল বিষয়গুলো টপিক অনুযায়ী নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:বগুড়ায় দুর্ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া শিশু: প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগ১. প্রধানমন্ত্রীর শোক ও চিকিৎসার দায়িত্ব গ্রহণবুধবার বগুড়ার শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চারজন নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। পরিবারহারা একমাত্র বেঁচে থাকা দেড় বছরের শিশু কন্যাটির উন্নত চিকিৎসার যাবতীয় দায়িত্ব তিনি নিজে নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।২. উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা ও ব্যক্তিগত তদারকিগুরুতর আহত শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজে হাসপাতালের পরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং শিশুটির সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন। চিকিৎসার সমস্ত ব্যয়ভারও তিনি বহন করার ঘোষণা দিয়েছেন।৩. দুর্ঘটনার প্রেক্ষাপটবুধবার সকালে ঢাকা থেকে ১২ জন যাত্রী নিয়ে একটি মাইক্রোবাস রংপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। বগুড়ার শেরপুর এলাকায় পৌঁছালে গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। ঘটনাস্থলেই একজন এবং পরবর্তীতে হাসপাতালে নেওয়ার পর শিশুটির বাবা-মাসহ আরও তিনজন মারা যান। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় পুরো পরিবার শেষ হয়ে গেলেও শিশুটি বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে।এক নজরে মূল তথ্যসমূহ:বিষয়বিস্তারিতদুর্ঘটনার স্থানশেরপুর, বগুড়া।হতাহতএকই পরিবারের ৪ জনসহ মোট ৫ জন নিহত।বেঁচে যাওয়া শিশুদেড় বছর বয়সী কন্যা শিশু।বর্তমান অবস্থানন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতাল, ঢাকা।প্রধানমন্ত্রীর ভূমিকাচিকিৎসার যাবতীয় ব্যয়ভার ও অভিভাবকত্ব গ্রহণ।
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ওমর ফারুক
প্রকাশক: আনোয়ার শাহ
কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ