যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে কিশোরগঞ্জে।
কিশোরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিনম্র শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। এরপর জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির সূর্যসন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শহীদদের স্মরণে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় এবং বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, লাখো শহীদের রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা কোনোদিন ভোলার নয়। এই দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ডাক দেন এবং তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক আসলাম মোল্লা, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান এবং পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেন।
পরবর্তীতে সকাল ৮টায় কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে এক বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের পর বেলুন ও শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা অবমুক্ত করা হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই কুচকাওয়াজে দেশাত্মবোধ ও শৃঙ্খলার এক অনন্য চিত্র ফুটে ওঠে।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬
যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদযাপন করা হয়েছে কিশোরগঞ্জে।
কিশোরগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিনম্র শ্রদ্ধার মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিনের কর্মসূচির সূচনা করা হয়। এরপর জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে জাতির সূর্যসন্তানদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।
শহীদদের স্মরণে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় এবং বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, লাখো শহীদের রক্ত ও আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা কোনোদিন ভোলার নয়। এই দিনে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ডাক দেন এবং তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধের পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
অনুষ্ঠানে কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক আসলাম মোল্লা, জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান এবং পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে অংশ নেন।
পরবর্তীতে সকাল ৮টায় কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে এক বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত ও গীতা পাঠের পর বেলুন ও শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা অবমুক্ত করা হয়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের অংশগ্রহণে আয়োজিত এই কুচকাওয়াজে দেশাত্মবোধ ও শৃঙ্খলার এক অনন্য চিত্র ফুটে ওঠে।

আপনার মতামত লিখুন