ঢাকা নিউজ

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ মামলার ভয়ে পুরুষ শূন্য গ্রাম বিপাকে মহিলারা



আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ মামলার ভয়ে পুরুষ শূন্য  গ্রাম বিপাকে মহিলারা
অসহায় মহিলাদের ছবি

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের লাউকুড়া গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। গ্রেপ্তার ও হামলার ভয়ে গ্রামের অধিকাংশ পুরুষ সদস্য পালিয়ে যাওয়ায় পুরো এলাকা এখন কার্যত পুরুষশূন্য। ফলে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মার্চ পার্শ্ববর্তী হেমন্তগঞ্জ গ্রামের সজীব ও মৎস্যজীবী দলের নেতা নজিরের নেতৃত্বে প্রায় ৪০০-৫০০ জনের একটি সশস্ত্র দল লাউকুড়া গ্রামের চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয়। পরবর্তীতে তারা কাশেম চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়, যেখানে অন্তত ২৫ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে গুরুতর চারজনকে ঢাকা ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সাতজনকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি পক্ষের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না এবং হৃদরোগে মৃত এক ব্যক্তিকে হত্যার শিকার দাবি করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।

মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানিয়েছেন, সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মৃত ব্যক্তির বিষয়ে পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং এটি হৃদরোগে মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬


আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষ মামলার ভয়ে পুরুষ শূন্য গ্রাম বিপাকে মহিলারা

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মার্চ ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কেওয়ারজোড় ইউনিয়নের লাউকুড়া গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ভয়াবহ সংঘর্ষ ও হামলার ঘটনায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। গ্রেপ্তার ও হামলার ভয়ে গ্রামের অধিকাংশ পুরুষ সদস্য পালিয়ে যাওয়ায় পুরো এলাকা এখন কার্যত পুরুষশূন্য। ফলে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২৩ মার্চ পার্শ্ববর্তী হেমন্তগঞ্জ গ্রামের সজীব ও মৎস্যজীবী দলের নেতা নজিরের নেতৃত্বে প্রায় ৪০০-৫০০ জনের একটি সশস্ত্র দল লাউকুড়া গ্রামের চন্ডিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে জড়ো হয়। পরবর্তীতে তারা কাশেম চেয়ারম্যানের বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়, যেখানে অন্তত ২৫ জন আহত হন।

আহতদের মধ্যে গুরুতর চারজনকে ঢাকা ও ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সাতজনকে শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রভাবশালী একটি পক্ষের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছেন না এবং হৃদরোগে মৃত এক ব্যক্তিকে হত্যার শিকার দাবি করে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে।

মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী জানিয়েছেন, সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে এবং এ পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মৃত ব্যক্তির বিষয়ে পুলিশ জানায়, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি এবং এটি হৃদরোগে মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বোচ্চ চেষ্টার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ