নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর সোহেল রানা (২৪) নামে এক ইটভাটা শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৯ মার্চ) সকালে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের পূর্ব রাজুরগাঁও গ্রামের 'রাজী সাহেব ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং' সংলগ্ন একটি ডোবা থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সোহেল রানা হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের উত্তর শান্তিপুর গ্রামের অলি উদ্দিনের ছেলে। তিনি ওই ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এই মৃত্যুকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। সোহেল রানার বাবা অলি উদ্দিন জানান, গত শুক্রবার বিকেলে তার ছেলেকে জোরপূর্বক কাজে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তার মামা কামাল ও সাইফুল মাঝির ভাই আলতাব। ওই সময় তাদের মধ্যে প্রচণ্ড বাকবিতণ্ডা হয় এবং এরপর সন্ধ্যা থেকেই সোহেল রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। রোববার সকালে স্থানীয় শ্রমিকরা ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে সেটি সোহেল রানার বলে শনাক্ত করেন।
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়ে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং নিহতের পরিবার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর সোহেল রানা (২৪) নামে এক ইটভাটা শ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (২৯ মার্চ) সকালে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের পূর্ব রাজুরগাঁও গ্রামের 'রাজী সাহেব ব্রিকস ম্যানুফ্যাকচারিং' সংলগ্ন একটি ডোবা থেকে ভাসমান অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সোহেল রানা হাতিয়া উপজেলার চানন্দী ইউনিয়নের উত্তর শান্তিপুর গ্রামের অলি উদ্দিনের ছেলে। তিনি ওই ইটভাটায় শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এই মৃত্যুকে ঘিরে গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। সোহেল রানার বাবা অলি উদ্দিন জানান, গত শুক্রবার বিকেলে তার ছেলেকে জোরপূর্বক কাজে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তার মামা কামাল ও সাইফুল মাঝির ভাই আলতাব। ওই সময় তাদের মধ্যে প্রচণ্ড বাকবিতণ্ডা হয় এবং এরপর সন্ধ্যা থেকেই সোহেল রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। রোববার সকালে স্থানীয় শ্রমিকরা ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দিলে পরিবারের সদস্যরা গিয়ে সেটি সোহেল রানার বলে শনাক্ত করেন।
কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়ে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে পরিবারের অভিযোগের প্রেক্ষিতে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং নিহতের পরিবার সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন