ঢাকা নিউজ

নির্জন ঘরে জিরাতি কৃষকের মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় শোকের ছায়া



নির্জন ঘরে জিরাতি কৃষকের মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় শোকের ছায়া
ছবি : সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বরইবাড়ি হাওর এলাকা থেকে করিমগঞ্জের দেহুন্দা ইউনিয়নের সাকুয়া গ্রামের বাসিন্দা সালেক মিয়া (৫০) নামে এক জিরাতি কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) হাওরের একটি নির্জন কুঁড়েঘর থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, সালেক মিয়া দীর্ঘ দিন ধরে ওই এলাকায় অন্যের জমি চাষাবাদ (জিরাতি) করার সুবাদে একাকী একটি কুঁড়েঘরে বসবাস করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে এক কৃষক ঘাস কাটতে গিয়ে কুঁড়েঘরের দরজার সামনে সালেক মিয়াকে উল্টো হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পান, তার হাতে একটি মোবাইল ফোন শক্ত করে ধরা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর আগমুহূর্তে তিনি হয়তো কাউকে কল করার চেষ্টা করেছিলেন। ওই ফোনের সংরক্ষিত নম্বর থেকেই স্বজনদের খবর দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে নিজ গ্রামে নিয়ে আসেন এবং পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্ট্রোকজনিত কারণে এক থেকে দুই দিন আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। নিভৃত এই কুঁড়েঘরের এক কিলোমিটারের মধ্যে অন্য কোনো বসতি না থাকায় বিষয়টি আগে কারো নজরে আসেনি। মৃত্যুকালে সালেক মিয়া চার সন্তান রেখে গেছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তার পরিবার। এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬


নির্জন ঘরে জিরাতি কৃষকের মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় শোকের ছায়া

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬

featured Image



কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার বরইবাড়ি হাওর এলাকা থেকে করিমগঞ্জের দেহুন্দা ইউনিয়নের সাকুয়া গ্রামের বাসিন্দা সালেক মিয়া (৫০) নামে এক জিরাতি কৃষকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার (২৯ মার্চ) হাওরের একটি নির্জন কুঁড়েঘর থেকে তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। জানা গেছে, সালেক মিয়া দীর্ঘ দিন ধরে ওই এলাকায় অন্যের জমি চাষাবাদ (জিরাতি) করার সুবাদে একাকী একটি কুঁড়েঘরে বসবাস করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে এক কৃষক ঘাস কাটতে গিয়ে কুঁড়েঘরের দরজার সামনে সালেক মিয়াকে উল্টো হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেখতে পান, তার হাতে একটি মোবাইল ফোন শক্ত করে ধরা ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, মৃত্যুর আগমুহূর্তে তিনি হয়তো কাউকে কল করার চেষ্টা করেছিলেন। ওই ফোনের সংরক্ষিত নম্বর থেকেই স্বজনদের খবর দেওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে নিজ গ্রামে নিয়ে আসেন এবং পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্ট্রোকজনিত কারণে এক থেকে দুই দিন আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। নিভৃত এই কুঁড়েঘরের এক কিলোমিটারের মধ্যে অন্য কোনো বসতি না থাকায় বিষয়টি আগে কারো নজরে আসেনি। মৃত্যুকালে সালেক মিয়া চার সন্তান রেখে গেছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছে তার পরিবার। এই মর্মান্তিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ