জয়পুরহাটে হঠাৎ করেই শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া ও হামের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৭০ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে হামে আক্রান্ত আরও ৫ জন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
হঠাৎ রোগী বেড়ে যাওয়ায় জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগে প্রচণ্ড চাপের সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আক্রান্ত শিশুদের জন্য আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করেছে এবং চিকিৎসকরা নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন।
জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক জুয়েল জানান, “হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য আমরা পৃথক ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। একই সঙ্গে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে, যা নিয়ে আমরা অত্যন্ত সতর্ক আছি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রচণ্ড গরম আবহাওয়া এবং বিশুদ্ধ পানির অভাবই ডায়রিয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
চিকিৎসকরা অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন যে, শিশুদের মধ্যে হামের সামান্য লক্ষণ দেখা দিলেও যেন দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের শরণাপন্ন হন। পাশাপাশি কোনো ধরনের গুজবে কান দিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিশুদ্ধ পানি পান এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার মাধ্যমেই এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব বলে তারা মনে করছেন।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
জয়পুরহাটে হঠাৎ করেই শিশুদের মধ্যে ডায়রিয়া ও হামের সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টায় জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৭০ জন শিশু ভর্তি হয়েছে। একই সময়ে হামে আক্রান্ত আরও ৫ জন শিশু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে।
হঠাৎ রোগী বেড়ে যাওয়ায় জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের শিশু বিভাগে প্রচণ্ড চাপের সৃষ্টি হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ আক্রান্ত শিশুদের জন্য আলাদা ওয়ার্ডের ব্যবস্থা করেছে এবং চিকিৎসকরা নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে তাদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করছেন।
জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রাশেদ মোবারক জুয়েল জানান, “হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য আমরা পৃথক ব্যবস্থাপনায় চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। একই সঙ্গে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যাও বাড়ছে, যা নিয়ে আমরা অত্যন্ত সতর্ক আছি।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রচণ্ড গরম আবহাওয়া এবং বিশুদ্ধ পানির অভাবই ডায়রিয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।
চিকিৎসকরা অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন যে, শিশুদের মধ্যে হামের সামান্য লক্ষণ দেখা দিলেও যেন দেরি না করে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের শরণাপন্ন হন। পাশাপাশি কোনো ধরনের গুজবে কান দিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বিশুদ্ধ পানি পান এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার মাধ্যমেই এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করা সম্ভব বলে তারা মনে করছেন।

আপনার মতামত লিখুন