কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল অষ্টগ্রামে আদালতের সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের অন্ধকারে একটি সংখ্যালঘু পরিবারের ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) ভোর রাতে উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়নের জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন দাসপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে, যা স্থানীয়দের মধ্যে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগী সুধীর দাস অভিযোগ করেন যে, প্রতিবেশী মিজানুর রহমান, দুলাল ও কাউসার গং আদালতের আদেশ অমান্য করে পরিকল্পিতভাবে টিনশেড বাউন্ডারি নির্মাণ করে তাঁর জমি দখল করে নিয়েছে।
ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, সুধীর দাস ২০০৩ সালে ১৫৫৯ নং এওয়াজ বদল দলিলের মাধ্যমে কাস্তুল মৌজার এসএ ২৯০ খতিয়ানের জমিটি বৈধভাবে ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে ছিলেন। জমিটি মূলত স্থানীয় জমিদার পরিবারের ওয়ারিশদের কাছ থেকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় কেনা হয়েছিল। অন্যদিকে, অভিযুক্তরাও একই জমিদার পরিবারের অন্য অংশ থেকে কিছু জমি ক্রয় করে এখন সংখ্যালঘু পরিবারটির জমির একাংশ নিজেদের দাবি করে দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই বিরোধের জেরে সুধীর দাস আদালতে মামলা দায়ের করলে গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উক্ত সম্পত্তির ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে সেই আইনি আদেশকে তোয়াক্কা না করে অভিযুক্তরা ভোর রাতে টিনশেড দিয়ে ঘেরাও করে সম্পত্তিটি দখলে নেয়। সকালে নিজের জমি বে-দখল হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে সুধীর দাসের পরিবার হতবাক হয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে অষ্টগ্রাম থানায় খবর দেয়।
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পর অভিযুক্ত কাউসার বিষয়টি আংশিক স্বীকার করে বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তাঁরা নিজেদের প্রয়োজনে বাউন্ডারি দিয়েছেন। অষ্টগ্রাম থানার এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে এটি ১৪৪/১৪৫ ধারা অমান্যের ঘটনা বলে প্রতীয়মান হচ্ছে এবং উভয় পক্ষকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি তুলেছেন।

শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ এপ্রিল ২০২৬
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চল অষ্টগ্রামে আদালতের সুনির্দিষ্ট নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে রাতের অন্ধকারে একটি সংখ্যালঘু পরিবারের ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখলের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) ভোর রাতে উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়নের জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন দাসপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে, যা স্থানীয়দের মধ্যে চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। ভুক্তভোগী সুধীর দাস অভিযোগ করেন যে, প্রতিবেশী মিজানুর রহমান, দুলাল ও কাউসার গং আদালতের আদেশ অমান্য করে পরিকল্পিতভাবে টিনশেড বাউন্ডারি নির্মাণ করে তাঁর জমি দখল করে নিয়েছে।
ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, সুধীর দাস ২০০৩ সালে ১৫৫৯ নং এওয়াজ বদল দলিলের মাধ্যমে কাস্তুল মৌজার এসএ ২৯০ খতিয়ানের জমিটি বৈধভাবে ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে ছিলেন। জমিটি মূলত স্থানীয় জমিদার পরিবারের ওয়ারিশদের কাছ থেকে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় কেনা হয়েছিল। অন্যদিকে, অভিযুক্তরাও একই জমিদার পরিবারের অন্য অংশ থেকে কিছু জমি ক্রয় করে এখন সংখ্যালঘু পরিবারটির জমির একাংশ নিজেদের দাবি করে দখলের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই বিরোধের জেরে সুধীর দাস আদালতে মামলা দায়ের করলে গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে উক্ত সম্পত্তির ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে সেই আইনি আদেশকে তোয়াক্কা না করে অভিযুক্তরা ভোর রাতে টিনশেড দিয়ে ঘেরাও করে সম্পত্তিটি দখলে নেয়। সকালে নিজের জমি বে-দখল হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরে সুধীর দাসের পরিবার হতবাক হয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে অষ্টগ্রাম থানায় খবর দেয়।
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পর অভিযুক্ত কাউসার বিষয়টি আংশিক স্বীকার করে বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তাঁরা নিজেদের প্রয়োজনে বাউন্ডারি দিয়েছেন। অষ্টগ্রাম থানার এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে এটি ১৪৪/১৪৫ ধারা অমান্যের ঘটনা বলে প্রতীয়মান হচ্ছে এবং উভয় পক্ষকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় এলাকাবাসী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ ও দখলদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি তুলেছেন।

আপনার মতামত লিখুন