আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম এক অধ্যায়ের অবসান ঘটল। দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা কিংবদন্তি গোলরক্ষক সের্হিও রোমেরো ৩৯ বছর বয়সে সব ধরনের ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ১৮ মার্চ ভোরে আর্জেন্টিনার স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টেনে তিনি এখন কোচিং পেশায় মনোনিবেশ করতে আগ্রহী বলে জানা গেছে।
২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার আকাশী-নীল জার্সিতে ৯৬টি ম্যাচ খেলে পোস্টের নিচে আস্থার প্রতীক হয়ে ছিলেন রোমেরো। বিশেষ করে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে তার দুর্দান্ত নৈপুণ্য ফুটবলপ্রেমীদের মনে আজীবন গেঁথে থাকবে। যদিও ২০১৪ বিশ্বকাপ এবং ২০১৫ ও ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকায় রানার্সআপ হয়েই তাকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ২০১৮ বিশ্বকাপের ঠিক আগে ইনজুরিতে পড়ায় বিশ্বমঞ্চে আর নামা হয়নি তার, যার পর থেকে জাতীয় দলের দরজাও তার জন্য প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।
বয়সের ভার এবং সাম্প্রতিক সময়ে পারফরম্যান্সের ঘাটতির কারণে গত ডিসেম্বর থেকেই তার অবসরের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। ক্লাব ফুটবলে রেসিং ক্লাবের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা রোমেরো ইউরোপের নামী দাপুটে ক্লাব এজেড আলকামার, সাম্পদোরিয়া ও মোনাকোতে খেলেছেন। তবে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সময় কেটেছে ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। সেখানে সেকেন্ড চয়েজ গোলরক্ষক হিসেবে থাকলেও ৬১ ম্যাচের মধ্যে ৩৯টিতেই ক্লিন শিট রেখে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছিলেন তিনি।
ইউরোপীয় অধ্যায় শেষে বোকা জুনিয়র্সে খেলে অবশেষে বুট জোড়া তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন এই তারকা। ২০০৭ সালে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জয় এবং ২০০৮ সালে অলিম্পিক স্বর্ণপদক জেতা এই ফুটবলার এখন মাঠের লড়াই ছেড়ে ডাগআউটে নতুন শুরুর অপেক্ষায়।

বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
আর্জেন্টিনার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম এক অধ্যায়ের অবসান ঘটল। দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা কিংবদন্তি গোলরক্ষক সের্হিও রোমেরো ৩৯ বছর বয়সে সব ধরনের ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন। ১৮ মার্চ ভোরে আর্জেন্টিনার স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর বরাতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টেনে তিনি এখন কোচিং পেশায় মনোনিবেশ করতে আগ্রহী বলে জানা গেছে।
২০০৯ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত আর্জেন্টিনার আকাশী-নীল জার্সিতে ৯৬টি ম্যাচ খেলে পোস্টের নিচে আস্থার প্রতীক হয়ে ছিলেন রোমেরো। বিশেষ করে ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে টাইব্রেকারে তার দুর্দান্ত নৈপুণ্য ফুটবলপ্রেমীদের মনে আজীবন গেঁথে থাকবে। যদিও ২০১৪ বিশ্বকাপ এবং ২০১৫ ও ২০১৬ সালের কোপা আমেরিকায় রানার্সআপ হয়েই তাকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ২০১৮ বিশ্বকাপের ঠিক আগে ইনজুরিতে পড়ায় বিশ্বমঞ্চে আর নামা হয়নি তার, যার পর থেকে জাতীয় দলের দরজাও তার জন্য প্রায় বন্ধ হয়ে যায়।
বয়সের ভার এবং সাম্প্রতিক সময়ে পারফরম্যান্সের ঘাটতির কারণে গত ডিসেম্বর থেকেই তার অবসরের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। ক্লাব ফুটবলে রেসিং ক্লাবের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা রোমেরো ইউরোপের নামী দাপুটে ক্লাব এজেড আলকামার, সাম্পদোরিয়া ও মোনাকোতে খেলেছেন। তবে তার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সময় কেটেছে ইংলিশ জায়ান্ট ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। সেখানে সেকেন্ড চয়েজ গোলরক্ষক হিসেবে থাকলেও ৬১ ম্যাচের মধ্যে ৩৯টিতেই ক্লিন শিট রেখে নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছিলেন তিনি।
ইউরোপীয় অধ্যায় শেষে বোকা জুনিয়র্সে খেলে অবশেষে বুট জোড়া তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিলেন এই তারকা। ২০০৭ সালে অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ জয় এবং ২০০৮ সালে অলিম্পিক স্বর্ণপদক জেতা এই ফুটবলার এখন মাঠের লড়াই ছেড়ে ডাগআউটে নতুন শুরুর অপেক্ষায়।

আপনার মতামত লিখুন