দেশের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় ধরনের সুখবর দিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সরকারের ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’র আওতায় এখন থেকে মাত্র ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ করা হবে। এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের ফলে দেশের ৪৯৫টি উপজেলার প্রায় ৫৫ লাখ পরিবার সরাসরি উপকৃত হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বছরের নির্দিষ্ট ছয় মাস (আগস্ট থেকে নভেম্বর এবং মার্চ থেকে এপ্রিল) এই সুবিধা প্রদান করা হবে। কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবার মাসে ৩০ কেজি করে চাল সংগ্রহ করতে পারবে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনার জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১০ লাখ মেট্রিক টন চালের বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পুষ্টির কথা বিবেচনা করে এর মধ্যে ২৪৮টি উপজেলায় ভিটামিন সমৃদ্ধ ৩.৭ লাখ মেট্রিক টন চাল সরবরাহ করা হচ্ছে।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের অন্যান্য পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওএমএস (OMS) কার্যক্রমের মাধ্যমে বর্তমানে ১২টি সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন নির্ধারিত পয়েন্টে ভর্তুকি মূল্যে চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে। ওএমএস-এ প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা এবং আটা ২৪ টাকা দরে সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া টিসিবি-র (TCB) মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৬৭ লাখ পরিবারের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে চাল সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও সংসদে জানান খাদ্য প্রতিমন্ত্রী। সরকারের এই বহুমুখী পদক্ষেপের ফলে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: সংসদ সচিবালয় ও বাসস।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
দেশের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বড় ধরনের সুখবর দিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। রোববার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, সরকারের ‘খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি’র আওতায় এখন থেকে মাত্র ১৫ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ করা হবে। এই জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের ফলে দেশের ৪৯৫টি উপজেলার প্রায় ৫৫ লাখ পরিবার সরাসরি উপকৃত হবে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বছরের নির্দিষ্ট ছয় মাস (আগস্ট থেকে নভেম্বর এবং মার্চ থেকে এপ্রিল) এই সুবিধা প্রদান করা হবে। কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবার মাসে ৩০ কেজি করে চাল সংগ্রহ করতে পারবে। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ পরিচালনার জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১০ লাখ মেট্রিক টন চালের বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর পুষ্টির কথা বিবেচনা করে এর মধ্যে ২৪৮টি উপজেলায় ভিটামিন সমৃদ্ধ ৩.৭ লাখ মেট্রিক টন চাল সরবরাহ করা হচ্ছে।
খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের অন্যান্য পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওএমএস (OMS) কার্যক্রমের মাধ্যমে বর্তমানে ১২টি সিটি করপোরেশনসহ দেশের বিভিন্ন নির্ধারিত পয়েন্টে ভর্তুকি মূল্যে চাল ও আটা বিক্রি করা হচ্ছে। ওএমএস-এ প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা এবং আটা ২৪ টাকা দরে সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
এছাড়া টিসিবি-র (TCB) মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ৬৭ লাখ পরিবারের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে চাল সরবরাহ করা হচ্ছে বলেও সংসদে জানান খাদ্য প্রতিমন্ত্রী। সরকারের এই বহুমুখী পদক্ষেপের ফলে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় স্বস্তি ফিরে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্র: সংসদ সচিবালয় ও বাসস।

আপনার মতামত লিখুন