নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ছিনতাইয়ের প্রতিবাদ করায় আটজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাতে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বাসাবো এলাকায় এই বর্বরোচিত হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার সকালে আহত ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ফতেপুর দড়িকান্দি এলাকার ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন মীরেরটেক-মুছারচর সড়ক দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ওবায়দুল হকের নেতৃত্বে একদল ছিনতাইকারী তার মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেয়। আলমগীর চিৎকার করে পার্শ্ববর্তী বাসাবো গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের বাড়িতে আশ্রয় নিলে গ্রামবাসী ওবায়দুল হকের বাড়ি থেকে ছিনতাই হওয়া মোবাইল উদ্ধার করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র তর্কবিতর্ক হয়।
পরবর্তীতে ওবায়দুলের নেতৃত্বে এমদাদুল, মাসুদ, মোস্তাফিজুরসহ সাত-আটজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাখাওয়াত ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা সাখাওয়াত হোসেন, আওলাদ হোসেন এবং স্থানীয় মসজিদের সভাপতি মাছুম মিয়াসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় ৫টি মোবাইল ও নগদ ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি এক নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগও পাওয়া গেছে।
আহতদের মধ্যে সাখাওয়াত হোসেন ও মাছুম মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত ওবায়দুল দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত।
সোনারগাঁ থানার ওসি মো. মহিববুল্লাহ জানিয়েছেন, হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে এলাকায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ছিনতাইয়ের প্রতিবাদ করায় আটজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে। রোববার রাতে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বাসাবো এলাকায় এই বর্বরোচিত হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় সোমবার সকালে আহত ব্যবসায়ী আওলাদ হোসেন বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ফতেপুর দড়িকান্দি এলাকার ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন মীরেরটেক-মুছারচর সড়ক দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ওবায়দুল হকের নেতৃত্বে একদল ছিনতাইকারী তার মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেয়। আলমগীর চিৎকার করে পার্শ্ববর্তী বাসাবো গ্রামের সাখাওয়াত হোসেনের বাড়িতে আশ্রয় নিলে গ্রামবাসী ওবায়দুল হকের বাড়ি থেকে ছিনতাই হওয়া মোবাইল উদ্ধার করে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র তর্কবিতর্ক হয়।
পরবর্তীতে ওবায়দুলের নেতৃত্বে এমদাদুল, মাসুদ, মোস্তাফিজুরসহ সাত-আটজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সাখাওয়াত ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা সাখাওয়াত হোসেন, আওলাদ হোসেন এবং স্থানীয় মসজিদের সভাপতি মাছুম মিয়াসহ আটজনকে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় ৫টি মোবাইল ও নগদ ১২ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি এক নারীর শ্লীলতাহানির অভিযোগও পাওয়া গেছে।
আহতদের মধ্যে সাখাওয়াত হোসেন ও মাছুম মিয়ার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত ওবায়দুল দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও ছিনতাইসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত।
সোনারগাঁ থানার ওসি মো. মহিববুল্লাহ জানিয়েছেন, হামলার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে দেখছে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে এলাকায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন