বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ড্রেসিংরুম ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থাকলেও বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের হৃদয়ে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমের স্থান সবার উপরে। সম্প্রতি বিসিবি প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটাররা এই ড্রেসিংরুমের সঙ্গে তাদের আত্মিক টান ও ভালো-মন্দের নানা স্মৃতি ভাগাভাগি করেছেন।
কিংবদন্তিদের সান্নিধ্য ও মিরাজের শুরু ড্রেসিংরুমের মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে গিয়ে অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ জানান, প্রতিটি ক্রিকেটারের কাছেই এই জায়গাটি অত্যন্ত বিশেষ। ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, "যখন প্রথম এই ড্রেসিংরুমে পা রেখেছিলাম, তখন মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের সান্নিধ্য পেয়েছি, যা আমার কাছে চিরস্মরণীয়।"
পারিবারিক আবহ ও তাসকিনের ‘ঘর’ পেসার তাসকিন আহমেদের কাছে মিরপুরের ড্রেসিংরুম মানেই এক টুকরো ‘ঘর’। তিনি বলেন, "বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আমাদের কাছে একটি পরিবারের মতো, আর ড্রেসিংরুম হলো সেই পরিবারের দ্বিতীয় বাড়ি। এখানে আমাদের অজস্র হাসি-কান্না, জয়-পরাজয় ও আবেগ জড়িয়ে আছে।" তরুণ পেসার শরিফুল ইসলামও একই সুরে কথা বলেছেন। সতীর্থদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টায় কাটানো সময়গুলো খেলা না থাকলে তিনি প্রচণ্ড মিস করেন বলে জানান।
জুনিয়রদের চোখে ড্রেসিংরুম আফিফ হোসেন ধ্রুবর মতে, ড্রেসিংরুমে প্রবেশ করার সাথে সাথেই এক ধরণের স্বস্তি কাজ করে, যা কেবল নিজের বাড়িতেই পাওয়া সম্ভব। অন্যদিকে, তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম জানান ড্রেসিংরুমের আনন্দঘন পরিবেশের কথা। তিনি বলেন, "তাসকিন ভাই সবসময় আমাদের মাতিয়ে রাখেন। এছাড়া শরিফুল, সৌম্য ও লিটন দাদাদের সঙ্গে আমরা সবকিছু শেয়ার করতে পারি। সিনিয়রদের কাছ থেকে তাদের ক্যারিয়ারের পুরনো গল্প ও লিজেন্ডদের স্মৃতি শোনা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।"
সিনিয়র-জুনিয়রদের এমন চমৎকার মেলবন্ধন আর হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশই মিরপুরের ড্রেসিংরুমকে ক্রিকেটারদের কাছে অনন্য এক আশ্রয়ে পরিণত করেছে।

বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত ড্রেসিংরুম ব্যবহারের অভিজ্ঞতা থাকলেও বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের হৃদয়ে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের ড্রেসিংরুমের স্থান সবার উপরে। সম্প্রতি বিসিবি প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় জাতীয় দলের তারকা ক্রিকেটাররা এই ড্রেসিংরুমের সঙ্গে তাদের আত্মিক টান ও ভালো-মন্দের নানা স্মৃতি ভাগাভাগি করেছেন।
কিংবদন্তিদের সান্নিধ্য ও মিরাজের শুরু ড্রেসিংরুমের মাহাত্ম্য বর্ণনা করতে গিয়ে অলরাউন্ডার মেহেদী হাসান মিরাজ জানান, প্রতিটি ক্রিকেটারের কাছেই এই জায়গাটি অত্যন্ত বিশেষ। ক্যারিয়ারের শুরুর দিনগুলোর কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, "যখন প্রথম এই ড্রেসিংরুমে পা রেখেছিলাম, তখন মাশরাফি বিন মর্তুজা, সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবাল, মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের মতো কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের সান্নিধ্য পেয়েছি, যা আমার কাছে চিরস্মরণীয়।"
পারিবারিক আবহ ও তাসকিনের ‘ঘর’ পেসার তাসকিন আহমেদের কাছে মিরপুরের ড্রেসিংরুম মানেই এক টুকরো ‘ঘর’। তিনি বলেন, "বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আমাদের কাছে একটি পরিবারের মতো, আর ড্রেসিংরুম হলো সেই পরিবারের দ্বিতীয় বাড়ি। এখানে আমাদের অজস্র হাসি-কান্না, জয়-পরাজয় ও আবেগ জড়িয়ে আছে।" তরুণ পেসার শরিফুল ইসলামও একই সুরে কথা বলেছেন। সতীর্থদের সঙ্গে হাসি-ঠাট্টায় কাটানো সময়গুলো খেলা না থাকলে তিনি প্রচণ্ড মিস করেন বলে জানান।
জুনিয়রদের চোখে ড্রেসিংরুম আফিফ হোসেন ধ্রুবর মতে, ড্রেসিংরুমে প্রবেশ করার সাথে সাথেই এক ধরণের স্বস্তি কাজ করে, যা কেবল নিজের বাড়িতেই পাওয়া সম্ভব। অন্যদিকে, তরুণ ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম জানান ড্রেসিংরুমের আনন্দঘন পরিবেশের কথা। তিনি বলেন, "তাসকিন ভাই সবসময় আমাদের মাতিয়ে রাখেন। এছাড়া শরিফুল, সৌম্য ও লিটন দাদাদের সঙ্গে আমরা সবকিছু শেয়ার করতে পারি। সিনিয়রদের কাছ থেকে তাদের ক্যারিয়ারের পুরনো গল্প ও লিজেন্ডদের স্মৃতি শোনা আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।"
সিনিয়র-জুনিয়রদের এমন চমৎকার মেলবন্ধন আর হৃদ্যতাপূর্ণ পরিবেশই মিরপুরের ড্রেসিংরুমকে ক্রিকেটারদের কাছে অনন্য এক আশ্রয়ে পরিণত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন