বর্তমানে ইন্টারনেটের যুগে শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে অনেক অভিভাবকই চিন্তিত থাকেন। অভিভাবকদের এই দুশ্চিন্তা কমাতে হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এসেছে বিশেষ ‘পেরেন্টাল কন্ট্রোল’ ফিচার। এই ফিচারের মাধ্যমে এখন থেকে শিশুদের হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের ওপর সরাসরি নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা সম্ভব হবে।
নিচে এই ফিচারটি চালু করার পদ্ধতি ও এর সুবিধাসমূহ বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:
এই নিরাপত্তা ব্যবস্থাটি চালু করতে অভিভাবক ও সন্তানের ফোন দুটি পাশাপাশি রেখে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: ১. ডিভাইস সংযোগ: প্রথমেই শিশুর ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপটি ওপেন করুন। ২. QR কোড স্ক্যান: অ্যাপ ওপেন করলে সেখানে একটি কিউআর (QR) কোড দেখা যাবে। ৩. লিংক করা: অভিভাবকের ফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপের ‘Linked Devices’ অপশনে গিয়ে শিশুর ফোনের ওই কোডটি স্ক্যান করুন। এতে দুটি ডিভাইস একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে যাবে।
ডিভাইস দুটি সংযুক্ত হয়ে গেলে অভিভাবকের ফোনে বেশ কিছু বিশেষ ক্ষমতা চলে আসবে:
যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ: শিশু কার সাথে কথা বলবে কিংবা কোন গ্রুপে যুক্ত হবে, তা অভিভাবক নির্ধারণ করে দিতে পারবেন।
প্রাইভেসি সেটিংস: অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা এবং কোন ধরনের কনটেন্ট শিশু দেখতে পারবে, তার সীমা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
নিরাপত্তা ফিল্টার: ক্ষতিকর বা অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্ট থেকে শিশুকে দূরে রাখতে প্রয়োজনীয় ফিল্টার ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপের কিছু ফিচার এই বিশেষ সংস্করণে বন্ধ রাখা হয়েছে:
চ্যানেল ও স্ট্যাটাস: শিশুরা কোনো চ্যানেল বা স্ট্যাটাস আপডেট দেখতে পারবে না।
গোপন মেসেজ: 'View Once' (একবার দেখে মুছে যাওয়া ছবি) এবং 'Disappearing Messages'-এর মতো ফিচারগুলো এখানে কাজ করবে না।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: অভিভাবকদের নিয়ন্ত্রণ থাকলেও শিশুদের ব্যক্তিগত বার্তাগুলো যথারীতি এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড থাকবে, অর্থাৎ অন্য কেউ সেগুলো পড়তে পারবে না। শিশু যখন নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছাবে, তখন সে চাইলে তার প্রোফাইলটিকে সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে রূপান্তর করে নিতে পারবে।

বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মার্চ ২০২৬
বর্তমানে ইন্টারনেটের যুগে শিশুদের অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে অনেক অভিভাবকই চিন্তিত থাকেন। অভিভাবকদের এই দুশ্চিন্তা কমাতে হোয়াটসঅ্যাপ নিয়ে এসেছে বিশেষ ‘পেরেন্টাল কন্ট্রোল’ ফিচার। এই ফিচারের মাধ্যমে এখন থেকে শিশুদের হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারের ওপর সরাসরি নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা সম্ভব হবে।
নিচে এই ফিচারটি চালু করার পদ্ধতি ও এর সুবিধাসমূহ বিস্তারিত তুলে ধরা হলো:
এই নিরাপত্তা ব্যবস্থাটি চালু করতে অভিভাবক ও সন্তানের ফোন দুটি পাশাপাশি রেখে নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন: ১. ডিভাইস সংযোগ: প্রথমেই শিশুর ফোনে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাপটি ওপেন করুন। ২. QR কোড স্ক্যান: অ্যাপ ওপেন করলে সেখানে একটি কিউআর (QR) কোড দেখা যাবে। ৩. লিংক করা: অভিভাবকের ফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপের ‘Linked Devices’ অপশনে গিয়ে শিশুর ফোনের ওই কোডটি স্ক্যান করুন। এতে দুটি ডিভাইস একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে যাবে।
ডিভাইস দুটি সংযুক্ত হয়ে গেলে অভিভাবকের ফোনে বেশ কিছু বিশেষ ক্ষমতা চলে আসবে:
যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ: শিশু কার সাথে কথা বলবে কিংবা কোন গ্রুপে যুক্ত হবে, তা অভিভাবক নির্ধারণ করে দিতে পারবেন।
প্রাইভেসি সেটিংস: অ্যাকাউন্টের গোপনীয়তা এবং কোন ধরনের কনটেন্ট শিশু দেখতে পারবে, তার সীমা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।
নিরাপত্তা ফিল্টার: ক্ষতিকর বা অনাকাঙ্ক্ষিত কনটেন্ট থেকে শিশুকে দূরে রাখতে প্রয়োজনীয় ফিল্টার ব্যবহারের সুযোগ থাকবে।
শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপের কিছু ফিচার এই বিশেষ সংস্করণে বন্ধ রাখা হয়েছে:
চ্যানেল ও স্ট্যাটাস: শিশুরা কোনো চ্যানেল বা স্ট্যাটাস আপডেট দেখতে পারবে না।
গোপন মেসেজ: 'View Once' (একবার দেখে মুছে যাওয়া ছবি) এবং 'Disappearing Messages'-এর মতো ফিচারগুলো এখানে কাজ করবে না।
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: অভিভাবকদের নিয়ন্ত্রণ থাকলেও শিশুদের ব্যক্তিগত বার্তাগুলো যথারীতি এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড থাকবে, অর্থাৎ অন্য কেউ সেগুলো পড়তে পারবে না। শিশু যখন নির্দিষ্ট বয়সে পৌঁছাবে, তখন সে চাইলে তার প্রোফাইলটিকে সাধারণ হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টে রূপান্তর করে নিতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন