বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। চৈত্র মাসের এই বৃষ্টিতে একদিকে যেমন গরমে স্বস্তি মিলেছে, অন্যদিকে অফিসফেরত মানুষ ও পথচারীরা কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছেন। মূলত পশ্চিমের লঘুচাপের প্রভাবেই এই বৃষ্টিপাত হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী চার দিন সারাদেশে কালবৈশাখীর মতো আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে।
বজ্রবৃষ্টি: আটটি বিভাগেরই (রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ইত্যাদি) দু-এক জায়গায় অস্থায়ী ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
শিলাবৃষ্টি: বিশেষ সতর্কবার্তা হিসেবে জানানো হয়েছে যে, দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এটি এই সময়ের ফসলের জন্য কিছুটা ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতির পেছনে দুটি মূল কারণ কাজ করছে:
পশ্চিমবঙ্গ লঘুচাপ: লঘুচাপের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।
বঙ্গোপসাগরীয় প্রভাব: মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে। এই দুইয়ের প্রভাবে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়ছে এবং মেঘ তৈরি হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে:
সিলেট বিভাগ: এই বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা অন্য অঞ্চলের তুলনায় কিছুটা বেশি থাকতে পারে।
বাকি বিভাগ: অন্যান্য সাতটি বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।
বৃষ্টি হওয়া সত্ত্বেও সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা খুব একটা কমবে না। বরং আবহাওয়া অফিসের মতে, তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে অথবা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। অর্থাৎ গুমোট গরমের ভাব বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
বুধবার (১৮ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থানে মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। চৈত্র মাসের এই বৃষ্টিতে একদিকে যেমন গরমে স্বস্তি মিলেছে, অন্যদিকে অফিসফেরত মানুষ ও পথচারীরা কিছুটা ভোগান্তিতে পড়েছেন। মূলত পশ্চিমের লঘুচাপের প্রভাবেই এই বৃষ্টিপাত হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামী চার দিন সারাদেশে কালবৈশাখীর মতো আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে।
বজ্রবৃষ্টি: আটটি বিভাগেরই (রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ইত্যাদি) দু-এক জায়গায় অস্থায়ী ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
শিলাবৃষ্টি: বিশেষ সতর্কবার্তা হিসেবে জানানো হয়েছে যে, দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এটি এই সময়ের ফসলের জন্য কিছুটা ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
আবহাওয়াবিদদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতির পেছনে দুটি মূল কারণ কাজ করছে:
পশ্চিমবঙ্গ লঘুচাপ: লঘুচাপের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।
বঙ্গোপসাগরীয় প্রভাব: মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপটি বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে রয়েছে। এই দুইয়ের প্রভাবে বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়ছে এবং মেঘ তৈরি হচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে:
সিলেট বিভাগ: এই বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা অন্য অঞ্চলের তুলনায় কিছুটা বেশি থাকতে পারে।
বাকি বিভাগ: অন্যান্য সাতটি বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।
বৃষ্টি হওয়া সত্ত্বেও সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা খুব একটা কমবে না। বরং আবহাওয়া অফিসের মতে, তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে অথবা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। অর্থাৎ গুমোট গরমের ভাব বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন