জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমনের শেষ বিদায় এবং তার বর্ণাঢ্য জীবনের নানা দিক আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টপিক অনুযায়ী (Topic-wise) নিচে ব্যাখ্যা করা হলো: বরেণ্য এই অভিনেতাকে তার জন্মভূমি রাজশাহীতেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হচ্ছে। জানাজার সময়: ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) জুমার নামাজের পর রাজশাহী মহানগরীর ঝাউতলা জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। দাফন: জানাজা শেষে তাকে মহানগরীর হেতেমখাঁ কবরস্থানে সমাহিত করা হবে। মরদেহ পরিবহন: তার স্ত্রী ও সন্তানেরা লন্ডন থেকে ঢাকায় পৌঁছানোর পর আজ ভোরেই তাকে নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা। দাফনের আগে মরদেহ তার নিজ বাসভবন (মিঠুর মোড়) এলাকায় রাখা হবে। শামস সুমন অভিনয়ের পাশাপাশি পড়াশোনাতেও ছিলেন অত্যন্ত উজ্জ্বল নক্ষত্র। মাধ্যমিক সাফল্য: ১৯৮২ সালে রাজশাহী গভ. ল্যাবরেটরি হাইস্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় তিনি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ৫ম স্থান অধিকার করেছিলেন। উচ্চশিক্ষা: তিনি রাজশাহী কলেজ থেকে এইচএসসি এবং পরবর্তীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (RU) থেকে মার্কেটিং বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। রাজশাহীর সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলেই তার শিল্পী সত্তার বিকাশ ঘটেছিল। বেতার ও আবৃত্তি: তিনি বাংলাদেশ বেতারের নিয়মিত অভিনয় ও আবৃত্তিশিল্পী ছিলেন। সংগঠক: তিনি 'রাজশাহী আবৃত্তি পরিষদ'-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় আবৃত্তি সংগঠন 'স্বনন'-এর সক্রিয় সদস্য ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করে তিনি ঢাকায় এসে শিল্পচর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করেন। বিচরণ: মঞ্চনাটক দিয়ে শুরু করলেও পরবর্তীতে তিনি টেলিভিশন নাটকের অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন। জাতীয় পুরস্কার: ২০০৮ সালে 'স্বপ্নপূরণ' চলচ্চিত্রে অসামান্য অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। তার স্ত্রী ফারজানা শামস লিজা এবং তাদের তিন সন্তান বর্তমানে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। তার বড় ছেলে জুবায়ের শামস শাহিল বর্তমানে লন্ডনে চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছেন।১. শেষ বিদায় ও দাফন প্রক্রিয়া
২. মেধা ও শিক্ষা জীবনের সাফল্য
৩. সাংস্কৃতিক হাতেখড়ি ও সংগঠনের সাথে যুক্ততা
৪. অভিনয় ক্যারিয়ার ও সম্মাননা
৫. পারিবারিক জীবন
এক নজরে মূল তথ্যাবলি:

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতা শামস সুমনের শেষ বিদায় এবং তার বর্ণাঢ্য জীবনের নানা দিক আপনার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টপিক অনুযায়ী (Topic-wise) নিচে ব্যাখ্যা করা হলো: বরেণ্য এই অভিনেতাকে তার জন্মভূমি রাজশাহীতেই চিরনিদ্রায় শায়িত করা হচ্ছে। জানাজার সময়: ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) জুমার নামাজের পর রাজশাহী মহানগরীর ঝাউতলা জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। দাফন: জানাজা শেষে তাকে মহানগরীর হেতেমখাঁ কবরস্থানে সমাহিত করা হবে। মরদেহ পরিবহন: তার স্ত্রী ও সন্তানেরা লন্ডন থেকে ঢাকায় পৌঁছানোর পর আজ ভোরেই তাকে নিয়ে রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার কথা। দাফনের আগে মরদেহ তার নিজ বাসভবন (মিঠুর মোড়) এলাকায় রাখা হবে। শামস সুমন অভিনয়ের পাশাপাশি পড়াশোনাতেও ছিলেন অত্যন্ত উজ্জ্বল নক্ষত্র। মাধ্যমিক সাফল্য: ১৯৮২ সালে রাজশাহী গভ. ল্যাবরেটরি হাইস্কুল থেকে এসএসসি পরীক্ষায় তিনি রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ৫ম স্থান অধিকার করেছিলেন। উচ্চশিক্ষা: তিনি রাজশাহী কলেজ থেকে এইচএসসি এবং পরবর্তীতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (RU) থেকে মার্কেটিং বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। রাজশাহীর সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলেই তার শিল্পী সত্তার বিকাশ ঘটেছিল। বেতার ও আবৃত্তি: তিনি বাংলাদেশ বেতারের নিয়মিত অভিনয় ও আবৃত্তিশিল্পী ছিলেন। সংগঠক: তিনি 'রাজশাহী আবৃত্তি পরিষদ'-এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জনপ্রিয় আবৃত্তি সংগঠন 'স্বনন'-এর সক্রিয় সদস্য ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করে তিনি ঢাকায় এসে শিল্পচর্চায় নিজেকে উৎসর্গ করেন। বিচরণ: মঞ্চনাটক দিয়ে শুরু করলেও পরবর্তীতে তিনি টেলিভিশন নাটকের অত্যন্ত জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন। জাতীয় পুরস্কার: ২০০৮ সালে 'স্বপ্নপূরণ' চলচ্চিত্রে অসামান্য অভিনয়ের জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬১ বছর। তার স্ত্রী ফারজানা শামস লিজা এবং তাদের তিন সন্তান বর্তমানে যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। তার বড় ছেলে জুবায়ের শামস শাহিল বর্তমানে লন্ডনে চিকিৎসাবিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করছেন।১. শেষ বিদায় ও দাফন প্রক্রিয়া
২. মেধা ও শিক্ষা জীবনের সাফল্য
৩. সাংস্কৃতিক হাতেখড়ি ও সংগঠনের সাথে যুক্ততা
৪. অভিনয় ক্যারিয়ার ও সম্মাননা
৫. পারিবারিক জীবন
এক নজরে মূল তথ্যাবলি:

আপনার মতামত লিখুন