পাকিস্তানকে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান পারমাণবিক হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি অনুযায়ী, ইসলামাবাদ এখন সরাসরি আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম এমন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম তৈরির প্রকল্পে কাজ করছে। বুধবার (১৮ মার্চ) মার্কিন সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির সামনে ২০২৬ সালের বার্ষিক বৈশ্বিক হুমকি মূল্যায়ন প্রতিবেদন পেশ করার সময় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন দেশটির গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড। তিনি জানান, পাকিস্তান ছাড়াও রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া এবং ইরান বর্তমানে ওয়াশিংটনের জন্য সবচেয়ে বড় পারমাণবিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শুনানিতে গ্যাবার্ড উল্লেখ করেন, এই দেশগুলো এমন সব উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা করছে যা আমেরিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে তাদের মাতৃভূমিতে হানা দিতে সক্ষম। বিশেষ করে পাকিস্তানের দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্রমবর্ধমান উন্নতি তাদের আইসিবিএম সক্ষমতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি আইনপ্রণেতাদের সতর্ক করেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০৩৫ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম বৈশ্বিক ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ১৬ হাজারে পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি আল-কায়েদা এবং আইএসআইএস-এর মতো গোষ্ঠীগুলোকেও বিদেশের মাটিতে মার্কিন স্বার্থের জন্য দীর্ঘস্থায়ী ঝুঁকি হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
তবে ইরান ইস্যু নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবির সঙ্গে কিছুটা দ্বিমত পোষণ করেছেন গোয়েন্দা প্রধান। তিনি জানান, ২০২৫ সালের জুনে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান 'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার'-এ ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হওয়ার পর তারা সেটি পুনর্গঠনের কোনো কার্যকর চেষ্টা করেনি। ন্যাশনাল কাউন্টারটেরোরিজম সেন্টারের পরিচালকের পদত্যাগের পর গ্যাবার্ডের এই সাক্ষ্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোয়েন্দা প্রধানের এই মূল্যায়নের ওপর প্রেসিডেন্টের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
পাকিস্তানকে বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রধান পারমাণবিক হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি অনুযায়ী, ইসলামাবাদ এখন সরাসরি আমেরিকার মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম এমন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বা আইসিবিএম তৈরির প্রকল্পে কাজ করছে। বুধবার (১৮ মার্চ) মার্কিন সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির সামনে ২০২৬ সালের বার্ষিক বৈশ্বিক হুমকি মূল্যায়ন প্রতিবেদন পেশ করার সময় এই চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন দেশটির গোয়েন্দা প্রধান তুলসী গ্যাবার্ড। তিনি জানান, পাকিস্তান ছাড়াও রাশিয়া, চীন, উত্তর কোরিয়া এবং ইরান বর্তমানে ওয়াশিংটনের জন্য সবচেয়ে বড় পারমাণবিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শুনানিতে গ্যাবার্ড উল্লেখ করেন, এই দেশগুলো এমন সব উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা করছে যা আমেরিকার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে তাদের মাতৃভূমিতে হানা দিতে সক্ষম। বিশেষ করে পাকিস্তানের দূরপাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ক্রমবর্ধমান উন্নতি তাদের আইসিবিএম সক্ষমতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি আইনপ্রণেতাদের সতর্ক করেন। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ২০৩৫ সাল নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে সক্ষম বৈশ্বিক ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়ে ১৬ হাজারে পৌঁছাতে পারে। পাশাপাশি আল-কায়েদা এবং আইএসআইএস-এর মতো গোষ্ঠীগুলোকেও বিদেশের মাটিতে মার্কিন স্বার্থের জন্য দীর্ঘস্থায়ী ঝুঁকি হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
তবে ইরান ইস্যু নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবির সঙ্গে কিছুটা দ্বিমত পোষণ করেছেন গোয়েন্দা প্রধান। তিনি জানান, ২০২৫ সালের জুনে মার্কিন-ইসরায়েলি যৌথ সামরিক অভিযান 'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার'-এ ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হওয়ার পর তারা সেটি পুনর্গঠনের কোনো কার্যকর চেষ্টা করেনি। ন্যাশনাল কাউন্টারটেরোরিজম সেন্টারের পরিচালকের পদত্যাগের পর গ্যাবার্ডের এই সাক্ষ্য আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোয়েন্দা প্রধানের এই মূল্যায়নের ওপর প্রেসিডেন্টের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন