ইসরায়েলের বাণিজ্যিক কেন্দ্র তেল আবিবসহ দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে ইরান নতুন করে ভয়াবহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) পরিচালিত এই অভিযানে তেল আবিবের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বহুতল ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইসরায়েল’। হামলার সময় পুরো মধ্য-ইসরায়েল ও উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে বিপৎসংকেত বা সাইরেন বাজিয়ে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে এই বিধ্বংসী হামলায় এখন পর্যন্ত কতজন হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সামরিক বাহিনী এদিন কেবল তেল আবিব নয়, বরং জেরুজালেম এবং উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানেও দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। জেরুজালেমেও বেশ কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, তবে সেখানে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। একই দিনে ইরানের হামদান প্রদেশের সানান্দাজ বিমানবন্দরে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী একটি বিশেষ অভিযান চালায়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তাৎক্ষণিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই হামলায় ইরানের একটি ‘এমআই-১৭’ হেলিকপ্টার পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের দুই শক্তিশালী দেশের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি আক্রমণ পরিস্থিতিকে এক ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কাতারের গ্যাসক্ষেত্রে হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ইরানের এই সরাসরি আঘাত নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে উভয় পক্ষই একে অপরের সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করায় পুরো অঞ্চলে এক অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েলের বাণিজ্যিক কেন্দ্র তেল আবিবসহ দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে ইরান নতুন করে ভয়াবহ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) পরিচালিত এই অভিযানে তেল আবিবের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বহুতল ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘টাইমস অব ইসরায়েল’। হামলার সময় পুরো মধ্য-ইসরায়েল ও উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে বিপৎসংকেত বা সাইরেন বাজিয়ে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে এই বিধ্বংসী হামলায় এখন পর্যন্ত কতজন হতাহত হয়েছেন, সে বিষয়ে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সামরিক বাহিনী এদিন কেবল তেল আবিব নয়, বরং জেরুজালেম এবং উত্তর ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানেও দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে। জেরুজালেমেও বেশ কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে, তবে সেখানে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। একই দিনে ইরানের হামদান প্রদেশের সানান্দাজ বিমানবন্দরে ইসরায়েলি বিমানবাহিনী একটি বিশেষ অভিযান চালায়। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, তাৎক্ষণিক গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই হামলায় ইরানের একটি ‘এমআই-১৭’ হেলিকপ্টার পুরোপুরি ধ্বংস করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের দুই শক্তিশালী দেশের মধ্যে এই পাল্টাপাল্টি আক্রমণ পরিস্থিতিকে এক ভয়াবহ যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কাতারের গ্যাসক্ষেত্রে হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানির দামের ঊর্ধ্বগতির মধ্যেই ইসরায়েলের অভ্যন্তরে ইরানের এই সরাসরি আঘাত নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বর্তমানে উভয় পক্ষই একে অপরের সামরিক ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করায় পুরো অঞ্চলে এক অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন