জাতীয় সংসদের মূল অধিবেশন কক্ষে বসে খাবার গ্রহণের অনুমতি না থাকলেও মঙ্গলবার এক সংসদ সদস্যকে অধিবেশনে বসে কিছু খেতে দেখা গেছে। অধিবেশন চলাকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নিজের আসন থেকে বিষয়টি লক্ষ্য করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে মাইকে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের নাম উল্লেখ না করেই তার কাছে কৈফিয়ত চান। স্পিকার জানতে চান তিনি কী খাচ্ছেন বা চা পান করছেন কি না।
জবাবে ওই সংসদ সদস্য জানান যে তিনি কেবল গরম পানি পান করছেন। তবে স্পিকার এতে সন্তুষ্ট না হয়ে ক্ষুব্ধ স্বরে মন্তব্য করেন, ‘পরে আরও কী খাবেন, গড নোজ (ঈশ্বরই জানেন)’। অধিবেশন কক্ষের ক্যামেরা ওই সময় অন্য দিকে থাকায় অভিযুক্ত সংসদ সদস্যের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উল্লেখ্য যে, অধিবেশন চলাকালে সংসদ সদস্যদের শৃঙ্খলা ও মর্যাদা বজায় রাখতে সংসদ কক্ষে চা-পান বা ভোজনমূলক কাজ না করাই দীর্ঘদিনের রেওয়াজ।
সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ৩১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী, সংসদ কক্ষটি সংসদের বৈঠক ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। যেহেতু খাওয়া-দাওয়া বৈঠকের কোনো অংশ নয়, তাই একে বিধির পরিপন্থী হিসেবেই গণ্য করা হয়। সংসদ সদস্যদের খাবার গ্রহণের জন্য সংসদ ভবনের ভেতরেই আলাদা ক্যাফেটেরিয়া ও ডাইনিং সুবিধা রয়েছে। ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় সংসদীয় শৃঙ্খলা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদের মূল অধিবেশন কক্ষে বসে খাবার গ্রহণের অনুমতি না থাকলেও মঙ্গলবার এক সংসদ সদস্যকে অধিবেশনে বসে কিছু খেতে দেখা গেছে। অধিবেশন চলাকালে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ নিজের আসন থেকে বিষয়টি লক্ষ্য করেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে মাইকে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্যের নাম উল্লেখ না করেই তার কাছে কৈফিয়ত চান। স্পিকার জানতে চান তিনি কী খাচ্ছেন বা চা পান করছেন কি না।
জবাবে ওই সংসদ সদস্য জানান যে তিনি কেবল গরম পানি পান করছেন। তবে স্পিকার এতে সন্তুষ্ট না হয়ে ক্ষুব্ধ স্বরে মন্তব্য করেন, ‘পরে আরও কী খাবেন, গড নোজ (ঈশ্বরই জানেন)’। অধিবেশন কক্ষের ক্যামেরা ওই সময় অন্য দিকে থাকায় অভিযুক্ত সংসদ সদস্যের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। উল্লেখ্য যে, অধিবেশন চলাকালে সংসদ সদস্যদের শৃঙ্খলা ও মর্যাদা বজায় রাখতে সংসদ কক্ষে চা-পান বা ভোজনমূলক কাজ না করাই দীর্ঘদিনের রেওয়াজ।
সংসদের কার্যপ্রণালী বিধির ৩১১ নম্বর ধারা অনুযায়ী, সংসদ কক্ষটি সংসদের বৈঠক ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। যেহেতু খাওয়া-দাওয়া বৈঠকের কোনো অংশ নয়, তাই একে বিধির পরিপন্থী হিসেবেই গণ্য করা হয়। সংসদ সদস্যদের খাবার গ্রহণের জন্য সংসদ ভবনের ভেতরেই আলাদা ক্যাফেটেরিয়া ও ডাইনিং সুবিধা রয়েছে। ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় সংসদীয় শৃঙ্খলা নিয়ে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন