ঢাকা নিউজ

ইরানে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ালেন ট্রাম্প



ইরানে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ালেন ট্রাম্প
ছবি : সংগৃহিত

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে গড়ালেও সেখানে এখনই মার্কিন স্থলসেনা বা গ্রাউন্ড ট্রুপস পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচির সাথে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। তবে সরাসরি সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা নাকচ করলেও ট্রাম্প তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে যোগ করেন, যদি এমন কোনো গোপন পরিকল্পনা থেকেও থাকে, তবে তিনি তা কৌশলগত কারণে আগেভাগে প্রকাশ করবেন না।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, মার্কিন হামলায় ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ইতিমধ্যে 'বিধ্বস্ত' হয়েছে। তবে পেন্টাগন ও ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকরা এখন ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা পারমাণবিক উপকরণগুলো উদ্ধারের বিষয়টি বিবেচনা করছেন। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের জটিল উদ্ধার অভিযান সফল করতে হলে ইরানি ভূখণ্ডে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নৌ ও বিমানবাহিনীর উপস্থিতি আরও জোরদার করার পরিকল্পনাও রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই ভয়াবহ সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন বলে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের শুরু থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে মিশ্র সংকেত পাওয়া গেলেও, বৃহস্পতিবার ট্রাম্প আবারও দাবি করেন যে তাদের এই সামরিক পদক্ষেপ বা ‘ছোট ভ্রমণ’ সফল হয়েছে এবং তারা নির্ধারিত লক্ষ্যের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছেন। তিনি আরও বলেন, বিগত কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ধরনের সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস ছিল না, যা তিনি সম্পন্ন করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬


ইরানে সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ালেন ট্রাম্প

প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২৬

featured Image

ইরানের সাথে চলমান যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে গড়ালেও সেখানে এখনই মার্কিন স্থলসেনা বা গ্রাউন্ড ট্রুপস পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচির সাথে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। তবে সরাসরি সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা নাকচ করলেও ট্রাম্প তার স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে যোগ করেন, যদি এমন কোনো গোপন পরিকল্পনা থেকেও থাকে, তবে তিনি তা কৌশলগত কারণে আগেভাগে প্রকাশ করবেন না।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, মার্কিন হামলায় ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ইতিমধ্যে 'বিধ্বস্ত' হয়েছে। তবে পেন্টাগন ও ওয়াশিংটনের নীতিনির্ধারকরা এখন ধ্বংসস্তূপের নিচে থাকা পারমাণবিক উপকরণগুলো উদ্ধারের বিষয়টি বিবেচনা করছেন। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের জটিল উদ্ধার অভিযান সফল করতে হলে ইরানি ভূখণ্ডে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন সেনা পাঠানোর প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে নৌ ও বিমানবাহিনীর উপস্থিতি আরও জোরদার করার পরিকল্পনাও রয়েছে ট্রাম্প প্রশাসনের।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই ভয়াবহ সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত এবং প্রায় ২০০ জন আহত হয়েছেন বলে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) নিশ্চিত করেছে। যুদ্ধের শুরু থেকে ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময়ে মিশ্র সংকেত পাওয়া গেলেও, বৃহস্পতিবার ট্রাম্প আবারও দাবি করেন যে তাদের এই সামরিক পদক্ষেপ বা ‘ছোট ভ্রমণ’ সফল হয়েছে এবং তারা নির্ধারিত লক্ষ্যের চেয়ে অনেক এগিয়ে আছেন। তিনি আরও বলেন, বিগত কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ধরনের সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার সাহস ছিল না, যা তিনি সম্পন্ন করেছেন।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: সিরাজ চিশতী
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ