ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আগ্রাসনের মুখে রণকৌশল পরিবর্তন করে বিশ্ব জ্বালানি করিডোর ‘হরমুজ প্রণালি’র নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলো থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টোল আদায় শুরু করেছে। আলজাজিরার বরাতে জানা গেছে, ইতোমধ্যে একটি জ্বালানিবাহী ট্যাঙ্কার থেকে ২০ লাখ ডলার ফি আদায় করেছে তেহরান। বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এক-তৃতীয়াংশ প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হওয়ার এই পথটি বন্ধ করে দিয়ে যুদ্ধের নাটাই এখন আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির দেশের হাতে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আইআরজিসি ঘোষণা করেছে যে, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের জন্য এখন থেকে প্রতিটি জাহাজকে নতুন ‘ভেটিং’ বা যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এই নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো জাহাজকে ওই পথ পাড়ি দেওয়ার আগে আগাম নিবন্ধন করতে হবে। তবে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, বাংলাদেশ, চীন, পাকিস্তান ও ভারতসহ তাদের বন্ধুপ্রতিম দেশগুলো এই জলপথে বিনাবাধায় যাতায়াতের বিশেষ সুবিধা পাবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তেহরান কেবল সামরিকভাবেই নয়, বরং অর্থনৈতিক ও কৌশলগতভাবেও যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাল্টাপাল্টি লড়াইয়ে ইসরায়েলের অনেক সরকারি দপ্তর ও স্থাপনা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করে ইরান বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। এই পানিপথ ব্যবহারের ওপর টোল আরোপের ফলে আন্তর্জাতিক পণ্য ও জ্বালানি পরিবহনের ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তেহরানের এই কঠোর অবস্থানে পশ্চিমাবিশ্বে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আগ্রাসনের মুখে রণকৌশল পরিবর্তন করে বিশ্ব জ্বালানি করিডোর ‘হরমুজ প্রণালি’র নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলো থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টোল আদায় শুরু করেছে। আলজাজিরার বরাতে জানা গেছে, ইতোমধ্যে একটি জ্বালানিবাহী ট্যাঙ্কার থেকে ২০ লাখ ডলার ফি আদায় করেছে তেহরান। বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও এক-তৃতীয়াংশ প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবাহিত হওয়ার এই পথটি বন্ধ করে দিয়ে যুদ্ধের নাটাই এখন আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির দেশের হাতে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
আইআরজিসি ঘোষণা করেছে যে, হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের জন্য এখন থেকে প্রতিটি জাহাজকে নতুন ‘ভেটিং’ বা যাচাইকরণ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হবে। এই নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো জাহাজকে ওই পথ পাড়ি দেওয়ার আগে আগাম নিবন্ধন করতে হবে। তবে ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে, বাংলাদেশ, চীন, পাকিস্তান ও ভারতসহ তাদের বন্ধুপ্রতিম দেশগুলো এই জলপথে বিনাবাধায় যাতায়াতের বিশেষ সুবিধা পাবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে তেহরান কেবল সামরিকভাবেই নয়, বরং অর্থনৈতিক ও কৌশলগতভাবেও যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পাল্টাপাল্টি লড়াইয়ে ইসরায়েলের অনেক সরকারি দপ্তর ও স্থাপনা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি করে ইরান বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে। এই পানিপথ ব্যবহারের ওপর টোল আরোপের ফলে আন্তর্জাতিক পণ্য ও জ্বালানি পরিবহনের ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তেহরানের এই কঠোর অবস্থানে পশ্চিমাবিশ্বে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন