ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর প্রধান মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাঈনি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। আইআরজিসি পরিচালিত ‘সেপাহ নিউজ’ এই ঘটনাকে একটি “অপরাধমূলক ও কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলা” হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
৬৮ বছর বয়সী জেনারেল নাঈনি ২০২৪ সাল থেকে আইআরজিসির মুখপাত্র হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনও তার মৃত্যুর খবর প্রচার করেছে, তবে তিনি ঠিক কোন স্থানে বা নির্দিষ্ট কোন হামলায় নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। উল্লেখ্য, শুক্রবার তেহরানের পূর্বাঞ্চলসহ কারাজ, কেরমান, বন্দর লেঙ্গেহ এবং নাঈনির নিজ শহর কাশানে ধারাবাহিক ও ভয়াবহ বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব হামলার কোনো একটিতেই তিনি লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন।
জেনারেল নাঈনির এই আকস্মিক মৃত্যু ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। এই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার নিহতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশজুড়ে যখন যুদ্ধের ঘনঘটা, তখন আইআরজিসি-র এই প্রভাবশালী কণ্ঠস্বরের নীরব হয়ে যাওয়া পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে।

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর প্রধান মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলি মোহাম্মদ নাঈনি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২০ মার্চ) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযানে তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। আইআরজিসি পরিচালিত ‘সেপাহ নিউজ’ এই ঘটনাকে একটি “অপরাধমূলক ও কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলা” হিসেবে আখ্যায়িত করেছে।
৬৮ বছর বয়সী জেনারেল নাঈনি ২০২৪ সাল থেকে আইআরজিসির মুখপাত্র হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনও তার মৃত্যুর খবর প্রচার করেছে, তবে তিনি ঠিক কোন স্থানে বা নির্দিষ্ট কোন হামলায় নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। উল্লেখ্য, শুক্রবার তেহরানের পূর্বাঞ্চলসহ কারাজ, কেরমান, বন্দর লেঙ্গেহ এবং নাঈনির নিজ শহর কাশানে ধারাবাহিক ও ভয়াবহ বিমান হামলার খবর পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এসব হামলার কোনো একটিতেই তিনি লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন।
জেনারেল নাঈনির এই আকস্মিক মৃত্যু ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। এই শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তার নিহতের বিষয়ে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের আকাশজুড়ে যখন যুদ্ধের ঘনঘটা, তখন আইআরজিসি-র এই প্রভাবশালী কণ্ঠস্বরের নীরব হয়ে যাওয়া পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও নাজুক করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন