দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় শহর ডেজনে অবস্থিত একটি গাড়ির যন্ত্রাংশ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১১ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) বার্তা সংস্থা এএফপি এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। শুক্রবার দুপুরে লাগা এই আগুনে আরও অন্তত ২৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং ৩ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে যখন আগুনের সূত্রপাত হয়, তখন কারখানার ভেতরে প্রায় ১৭০ জন কর্মী কাজ করছিলেন। কারখানায় প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম মজুত থাকায় এবং ভবনটি ধসে পড়ার ঝুঁকি থাকায় উদ্ধারকর্মীরা শুরুতে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুন লাগার সময় তারা বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর শনিবার বিকেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উদ্ধার অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং উদ্ধার অভিযানে সব ধরনের সরকারি জনবল ও সরঞ্জাম কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি দেশের সকল কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের উন্নত সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে হোয়াসংয়ের একটি ব্যাটারি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ২২ জনের মৃত্যুর পর এটি দেশটিতে অন্যতম বড় শিল্প দুর্ঘটনা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার অভাব নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে গত সেপ্টেম্বরে একটি ব্যাটারি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যাঞ্চলীয় শহর ডেজনে অবস্থিত একটি গাড়ির যন্ত্রাংশ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১১ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২১ মার্চ) বার্তা সংস্থা এএফপি এবং স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। শুক্রবার দুপুরে লাগা এই আগুনে আরও অন্তত ২৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন এবং ৩ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টার দিকে যখন আগুনের সূত্রপাত হয়, তখন কারখানার ভেতরে প্রায় ১৭০ জন কর্মী কাজ করছিলেন। কারখানায় প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম মজুত থাকায় এবং ভবনটি ধসে পড়ার ঝুঁকি থাকায় উদ্ধারকর্মীরা শুরুতে ভেতরে প্রবেশ করতে পারেননি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুন লাগার সময় তারা বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর শনিবার বিকেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উদ্ধার অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং উদ্ধার অভিযানে সব ধরনের সরকারি জনবল ও সরঞ্জাম কাজে লাগানোর নির্দেশ দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি দেশের সকল কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকদের উন্নত সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে হোয়াসংয়ের একটি ব্যাটারি কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ২২ জনের মৃত্যুর পর এটি দেশটিতে অন্যতম বড় শিল্প দুর্ঘটনা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার অভাব নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ায় ব্যাপক সমালোচনা চলছে, যার পরিপ্রেক্ষিতে গত সেপ্টেম্বরে একটি ব্যাটারি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন