পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দের দিনে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় পাগলা কুকুরের অতর্কিত হামলায় শিশুসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২১ মার্চ) ঈদের জামাত শেষে সকাল ১১টার দিকে উপজেলা সদর এলাকায় এই আতঙ্কজনক ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানুষ যখন ঈদের নামাজ পড়ে একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে বাড়ি ফিরছিলেন, ঠিক তখনই একটি পাগলা কুকুর বেপরোয়া হয়ে সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই কামড়ে রক্তাক্ত করেছে।
আক্রান্তদের মধ্যে ১৩ বছরের কিশোর আরাফাতসহ বেশ কয়েকজন শিশু রয়েছে। আহত আরাফাতের স্বজন মো. সোহাগ মুন্সি জানান, কুকুরটির আক্রমণ এতটাই আকস্মিক ছিল যে কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে দুপুর ২টার দিকে উত্তেজিত স্থানীয় জনতা কুকুরটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে বলে জানা গেছে।
সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মমিনুর রহমান সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আহতদের মধ্যে ১১ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকি ৫ জন পার্শ্ববর্তী হাসপাতাল ও উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ঈদের দিনে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মধ্যে ঈদের আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়েছে।

শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৬
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দের দিনে ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় পাগলা কুকুরের অতর্কিত হামলায় শিশুসহ অন্তত ১৬ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (২১ মার্চ) ঈদের জামাত শেষে সকাল ১১টার দিকে উপজেলা সদর এলাকায় এই আতঙ্কজনক ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানুষ যখন ঈদের নামাজ পড়ে একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে বাড়ি ফিরছিলেন, ঠিক তখনই একটি পাগলা কুকুর বেপরোয়া হয়ে সামনে যাকে পেয়েছে তাকেই কামড়ে রক্তাক্ত করেছে।
আক্রান্তদের মধ্যে ১৩ বছরের কিশোর আরাফাতসহ বেশ কয়েকজন শিশু রয়েছে। আহত আরাফাতের স্বজন মো. সোহাগ মুন্সি জানান, কুকুরটির আক্রমণ এতটাই আকস্মিক ছিল যে কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই মুহূর্তের মধ্যে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে দুপুর ২টার দিকে উত্তেজিত স্থানীয় জনতা কুকুরটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেছে বলে জানা গেছে।
সদরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মমিনুর রহমান সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আহতদের মধ্যে ১১ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বাকি ৫ জন পার্শ্ববর্তী হাসপাতাল ও উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ঈদের দিনে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মধ্যে ঈদের আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন