ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দীর্ঘ ২০ বছরেরও বেশি সময় পর আজ শনিবার প্রথমবারের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। ইসরাইলি আগ্রাসন ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই গাজার কেন্দ্রীয় অঞ্চল দেইর আল-বালাহ এবং পশ্চিম তীরের বাসিন্দারা সকাল ৭টা থেকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ২০০৭ সালে হামাস গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে এখানকার সাধারণ মানুষ তাদের স্থানীয় প্রতিনিধি নির্বাচনের কোনো সুযোগ পাননি।
দীর্ঘদিন ধরে গাজা শাসন করা হামাস এতদিন নিজেরাই সিটি কাউন্সিল সদস্য নিয়োগ দিয়ে আসছিল এবং স্থানীয় নির্বাচনের পথ বন্ধ রেখেছিল। এর বিপরীতে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি অথরিটি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে নিয়মিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও গাজাবাসীর জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। তবে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের ফলাফল হামাস শেষ পর্যন্ত মেনে নেবে কি না, তা নিয়ে পর্যবেক্ষকদের মধ্যে সংশয় ও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
রামাল্লাহভিত্তিক কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে অধিকৃত পশ্চিম তীরে প্রায় ১৫ লাখ এবং গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় প্রায় ৭০ হাজার নিবন্ধিত ভোটার রয়েছেন। যুদ্ধের ভয়াবহতা কাটিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফেরার এই চেষ্টাকে গাজাবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় দীর্ঘ ২০ বছরেরও বেশি সময় পর আজ শনিবার প্রথমবারের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। ইসরাইলি আগ্রাসন ও যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেই গাজার কেন্দ্রীয় অঞ্চল দেইর আল-বালাহ এবং পশ্চিম তীরের বাসিন্দারা সকাল ৭টা থেকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করছেন। ২০০৭ সালে হামাস গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে এখানকার সাধারণ মানুষ তাদের স্থানীয় প্রতিনিধি নির্বাচনের কোনো সুযোগ পাননি।
দীর্ঘদিন ধরে গাজা শাসন করা হামাস এতদিন নিজেরাই সিটি কাউন্সিল সদস্য নিয়োগ দিয়ে আসছিল এবং স্থানীয় নির্বাচনের পথ বন্ধ রেখেছিল। এর বিপরীতে পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি অথরিটি নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে নিয়মিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও গাজাবাসীর জন্য এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। তবে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনের ফলাফল হামাস শেষ পর্যন্ত মেনে নেবে কি না, তা নিয়ে পর্যবেক্ষকদের মধ্যে সংশয় ও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
রামাল্লাহভিত্তিক কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে অধিকৃত পশ্চিম তীরে প্রায় ১৫ লাখ এবং গাজার দেইর আল-বালাহ এলাকায় প্রায় ৭০ হাজার নিবন্ধিত ভোটার রয়েছেন। যুদ্ধের ভয়াবহতা কাটিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফেরার এই চেষ্টাকে গাজাবাসীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন