মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছেন যে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর ‘প্রতি বছর’ নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত। শুক্রবার ইরান যুদ্ধ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি যুক্তি দেন, মার্কিন বাহিনী সঠিকভাবে যুদ্ধ করার মাধ্যমে কেবল নিজেদের দেশ নয়, বরং পৃথিবীর অনেক মানুষের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়। হেগসেথের মতে, শক্তির মাধ্যমে শান্তি আনাই তাদের মূল লক্ষ্য, আর এ কারণেই তিনি মনে করেন এই প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কারের যোগ্য দাবিদার।
তবে এই মন্তব্যের মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই হেগসেথ গর্বের সঙ্গে জানান, তার নেতৃত্বে মার্কিন সেনারা এখন শত্রুর বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ সহিংসতা’ ঘটাতে সক্ষম। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তিনি চান তার সেনারা নিয়মের মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা প্রয়োগ করুক। হেগসেথের ভাষায়, “আমি চাই আমাদের লোকেরা ঘরে ফিরুক, আর তাদের লোকেরা না ফিরুক।” যুদ্ধকে একটি সহিংস প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করে তিনি এই কঠোর অবস্থানের পক্ষে নিজের মত দেন।
হেগসেথের এমন দাবি ও মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন ইরান ও লেবাননে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় কয়েক হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ইরানে নিহতদের মধ্যে ১,৭০০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিক এবং শত শত শিশু রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যে এই যুদ্ধে সংঘটিত নানা কর্মকাণ্ডকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। উল্লেখ্য যে, হেগসেথ এর আগে বেসামরিক হত্যা ঠেকানোর নিয়মগুলোকে ‘বোকামির নিয়ম’ বলে সমালোচনা করে আলোচনায় এসেছিলেন।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দাবি করেছেন যে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর ‘প্রতি বছর’ নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত। শুক্রবার ইরান যুদ্ধ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি যুক্তি দেন, মার্কিন বাহিনী সঠিকভাবে যুদ্ধ করার মাধ্যমে কেবল নিজেদের দেশ নয়, বরং পৃথিবীর অনেক মানুষের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দেয়। হেগসেথের মতে, শক্তির মাধ্যমে শান্তি আনাই তাদের মূল লক্ষ্য, আর এ কারণেই তিনি মনে করেন এই প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কারের যোগ্য দাবিদার।
তবে এই মন্তব্যের মাত্র কয়েক মুহূর্ত আগেই হেগসেথ গর্বের সঙ্গে জানান, তার নেতৃত্বে মার্কিন সেনারা এখন শত্রুর বিরুদ্ধে ‘সর্বোচ্চ সহিংসতা’ ঘটাতে সক্ষম। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তিনি চান তার সেনারা নিয়মের মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ ধ্বংসাত্মক ক্ষমতা প্রয়োগ করুক। হেগসেথের ভাষায়, “আমি চাই আমাদের লোকেরা ঘরে ফিরুক, আর তাদের লোকেরা না ফিরুক।” যুদ্ধকে একটি সহিংস প্রক্রিয়া হিসেবে বর্ণনা করে তিনি এই কঠোর অবস্থানের পক্ষে নিজের মত দেন।
হেগসেথের এমন দাবি ও মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন ইরান ও লেবাননে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় কয়েক হাজার মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ইরানে নিহতদের মধ্যে ১,৭০০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিক এবং শত শত শিশু রয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যে এই যুদ্ধে সংঘটিত নানা কর্মকাণ্ডকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। উল্লেখ্য যে, হেগসেথ এর আগে বেসামরিক হত্যা ঠেকানোর নিয়মগুলোকে ‘বোকামির নিয়ম’ বলে সমালোচনা করে আলোচনায় এসেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন