যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে পুনরায় পরস্পরবিরোধী তথ্য সামনে আসায় কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার সরাসরি আলোচনায় অংশ নিতে শনিবার পাকিস্তানে যাচ্ছেন। তবে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম ও নুরনিউজ জানিয়েছে, ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি একই সময়ে ইসলামাবাদে অবস্থান করলেও মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো বৈঠকে বসবেন না।
কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় এ ধরনের অনিশ্চয়তা ও পরস্পরবিরোধী তথ্য নতুন কোনো বিষয় নয়। এর আগেও গত মার্চে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে ‘গঠনমূলক আলোচনা’র দাবি করলেও তেহরান তা সরাসরি অস্বীকার করেছিল। তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, দুই দেশের মধ্যে অপ্রকাশ্য কোনো চ্যানেলে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল এবং ইরান উপযুক্ত প্রস্তাব গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।
এপ্রিলের শুরুতে পাকিস্তানে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পর পরবর্তী বৈঠকের পরিকল্পনা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পরবর্তী কোনো বৈঠকের কথা অস্বীকার করেছে, তবে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও পাকিস্তানি সূত্রগুলো ভিন্ন দাবি করে আসছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রকাশ্যে অস্বীকৃতি থাকলেও পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে পুনরায় পরস্পরবিরোধী তথ্য সামনে আসায় কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার সরাসরি আলোচনায় অংশ নিতে শনিবার পাকিস্তানে যাচ্ছেন। তবে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম ও নুরনিউজ জানিয়েছে, ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি একই সময়ে ইসলামাবাদে অবস্থান করলেও মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো বৈঠকে বসবেন না।
কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় এ ধরনের অনিশ্চয়তা ও পরস্পরবিরোধী তথ্য নতুন কোনো বিষয় নয়। এর আগেও গত মার্চে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে ‘গঠনমূলক আলোচনা’র দাবি করলেও তেহরান তা সরাসরি অস্বীকার করেছিল। তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, দুই দেশের মধ্যে অপ্রকাশ্য কোনো চ্যানেলে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল এবং ইরান উপযুক্ত প্রস্তাব গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।
এপ্রিলের শুরুতে পাকিস্তানে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পর পরবর্তী বৈঠকের পরিকল্পনা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পরবর্তী কোনো বৈঠকের কথা অস্বীকার করেছে, তবে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও পাকিস্তানি সূত্রগুলো ভিন্ন দাবি করে আসছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রকাশ্যে অস্বীকৃতি থাকলেও পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে পুনরায় পরস্পরবিরোধী তথ্য সামনে আসায় কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার সরাসরি আলোচনায় অংশ নিতে শনিবার পাকিস্তানে যাচ্ছেন। তবে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম ও নুরনিউজ জানিয়েছে, ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি একই সময়ে ইসলামাবাদে অবস্থান করলেও মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো বৈঠকে বসবেন না।
কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় এ ধরনের অনিশ্চয়তা ও পরস্পরবিরোধী তথ্য নতুন কোনো বিষয় নয়। এর আগেও গত মার্চে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে ‘গঠনমূলক আলোচনা’র দাবি করলেও তেহরান তা সরাসরি অস্বীকার করেছিল। তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, দুই দেশের মধ্যে অপ্রকাশ্য কোনো চ্যানেলে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল এবং ইরান উপযুক্ত প্রস্তাব গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।
এপ্রিলের শুরুতে পাকিস্তানে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পর পরবর্তী বৈঠকের পরিকল্পনা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পরবর্তী কোনো বৈঠকের কথা অস্বীকার করেছে, তবে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও পাকিস্তানি সূত্রগুলো ভিন্ন দাবি করে আসছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রকাশ্যে অস্বীকৃতি থাকলেও পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তি আলোচনা নিয়ে পুনরায় পরস্পরবিরোধী তথ্য সামনে আসায় কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার সরাসরি আলোচনায় অংশ নিতে শনিবার পাকিস্তানে যাচ্ছেন। তবে ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম ও নুরনিউজ জানিয়েছে, ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি একই সময়ে ইসলামাবাদে অবস্থান করলেও মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনো বৈঠকে বসবেন না।
কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় এ ধরনের অনিশ্চয়তা ও পরস্পরবিরোধী তথ্য নতুন কোনো বিষয় নয়। এর আগেও গত মার্চে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে ‘গঠনমূলক আলোচনা’র দাবি করলেও তেহরান তা সরাসরি অস্বীকার করেছিল। তবে পরবর্তীতে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, দুই দেশের মধ্যে অপ্রকাশ্য কোনো চ্যানেলে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল এবং ইরান উপযুক্ত প্রস্তাব গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।
এপ্রিলের শুরুতে পাকিস্তানে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার পর পরবর্তী বৈঠকের পরিকল্পনা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পরবর্তী কোনো বৈঠকের কথা অস্বীকার করেছে, তবে পশ্চিমা গণমাধ্যম ও পাকিস্তানি সূত্রগুলো ভিন্ন দাবি করে আসছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, প্রকাশ্যে অস্বীকৃতি থাকলেও পর্দার আড়ালে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

আপনার মতামত লিখুন