যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ। নাহিদার ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত জানিয়েছেন, ফ্লোরিডার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে ফোনে এই হৃদয়বিদারক সংবাদ দিয়েছে। তবে বৃষ্টির মরদেহ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং তা পাওয়া নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
নিখোঁজ হওয়ার দিন অর্থাৎ গত ১৭ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার ক্যাম্পাসে নাহিদাকে শেষবার দেখা গিয়েছিল। একই দিনে নিখোঁজ হওয়া অন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ গতকাল শুক্রবার উদ্ধার করে পুলিশ। বৃষ্টির ভাই জাহিদ জানান, গ্রেফতারকৃত সন্দেহভাজন হিশাম আবুগারবিয়েহ দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পুলিশ তাকে জানিয়েছে, হিশাম যখন বৃষ্টির দেহ সরিয়ে ফেলছিল, তখন তাকে হাতেনাতে ধরার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।
তদন্তকারীদের দেওয়া তথ্যমতে, বৃষ্টির বাসায় রক্তের মধ্যে তার দেহের একটি অংশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। পরবর্তীতে ল্যাবে পরীক্ষার মাধ্যমে ওই অংশের সঙ্গে বৃষ্টির ডিএনএ-র মিল খুঁজে পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ভাই জাহিদ গণমাধ্যমকে জানান, পুলিশ তাকে বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধারের বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেনি, যা পরিবারের জন্য চরম অনিশ্চয়তা ও শোকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই ঘটনায় ইতোমধ্যেই লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করা এবং মরদেহ গুম করার চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থানীয় কনস্যুলেট বিষয়টি নিয়ে মার্কিন তদন্তকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ। নাহিদার ভাই জাহিদ হাসান প্রান্ত জানিয়েছেন, ফ্লোরিডার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে ফোনে এই হৃদয়বিদারক সংবাদ দিয়েছে। তবে বৃষ্টির মরদেহ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং তা পাওয়া নিয়ে গভীর সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে।
নিখোঁজ হওয়ার দিন অর্থাৎ গত ১৭ এপ্রিল ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডার ক্যাম্পাসে নাহিদাকে শেষবার দেখা গিয়েছিল। একই দিনে নিখোঁজ হওয়া অন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ গতকাল শুক্রবার উদ্ধার করে পুলিশ। বৃষ্টির ভাই জাহিদ জানান, গ্রেফতারকৃত সন্দেহভাজন হিশাম আবুগারবিয়েহ দুজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। পুলিশ তাকে জানিয়েছে, হিশাম যখন বৃষ্টির দেহ সরিয়ে ফেলছিল, তখন তাকে হাতেনাতে ধরার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল।
তদন্তকারীদের দেওয়া তথ্যমতে, বৃষ্টির বাসায় রক্তের মধ্যে তার দেহের একটি অংশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। পরবর্তীতে ল্যাবে পরীক্ষার মাধ্যমে ওই অংশের সঙ্গে বৃষ্টির ডিএনএ-র মিল খুঁজে পেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ভাই জাহিদ গণমাধ্যমকে জানান, পুলিশ তাকে বৃষ্টির মরদেহ উদ্ধারের বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারেনি, যা পরিবারের জন্য চরম অনিশ্চয়তা ও শোকের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এই ঘটনায় ইতোমধ্যেই লিমনের রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়েহকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করা এবং মরদেহ গুম করার চেষ্টার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। বাংলাদেশ দূতাবাস ও স্থানীয় কনস্যুলেট বিষয়টি নিয়ে মার্কিন তদন্তকারী সংস্থাগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।

আপনার মতামত লিখুন