ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে আসা ২৫০ জনেরও বেশি মানুষকে বৃহস্পতিবার রাতে ইসরাইলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। তারা নিজেদের বাইবেলের বর্ণিত 'মানাশে' গোত্রের বংশধর বলে দাবি করেন। ইসরাইল সরকারের বিশেষ অভিবাসন প্রকল্প ‘অপারেশন উইংস অব ডন’-এর আওতায় মিজোরাম ও মণিপুর থেকে এই সদস্যদের নিয়ে আসা হয়েছে।
বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের টার্মিনাল ওয়ানে লাল গালিচা ও নীল-সাদা বেলুন দিয়ে তাদের স্বাগত জানানো হয়। স্বজনদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যেখানে অনেকে দীর্ঘ ৯ বছর পর তাদের প্রিয়জনের দেখা পেয়েছেন। ইসরাইলের অভিবাসন মন্ত্রী ওফির সোফার এই ঘটনাকে একটি ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং জানিয়েছেন যে, প্রতি বছর অন্তত ১,২০০ জনকে ইসরাইলে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে এই সম্প্রদায়ের বাকি ৬,০০০ সদস্যকে ভারতে থেকে ইসরাইলে নিয়ে আসা হবে। ‘শাভেই ইসরাইল’ নামক সংস্থাটি এই অভিবাসন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছে। ১৯৯০-এর দশক থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ সদস্য ইসরাইলে এসেছেন, তবে এখনো প্রায় ৭,০০০ জন ভারতে অবস্থান করছেন।
নতুন আসা এই সদস্যদের আপাতত নফ হাগালিল শহরের একটি আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হবে, যেখানে আগে থেকেই বনেই মেনাশে সম্প্রদায়ের বিপুল সংখ্যক মানুষ বসবাস করছেন। আগামী দুই সপ্তাহে আরও দুটি বিশেষ ফ্লাইটে এই গোত্রের আরও সদস্য ইসরাইলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে আসা ২৫০ জনেরও বেশি মানুষকে বৃহস্পতিবার রাতে ইসরাইলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। তারা নিজেদের বাইবেলের বর্ণিত 'মানাশে' গোত্রের বংশধর বলে দাবি করেন। ইসরাইল সরকারের বিশেষ অভিবাসন প্রকল্প ‘অপারেশন উইংস অব ডন’-এর আওতায় মিজোরাম ও মণিপুর থেকে এই সদস্যদের নিয়ে আসা হয়েছে।
বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের টার্মিনাল ওয়ানে লাল গালিচা ও নীল-সাদা বেলুন দিয়ে তাদের স্বাগত জানানো হয়। স্বজনদের উপস্থিতিতে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়, যেখানে অনেকে দীর্ঘ ৯ বছর পর তাদের প্রিয়জনের দেখা পেয়েছেন। ইসরাইলের অভিবাসন মন্ত্রী ওফির সোফার এই ঘটনাকে একটি ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং জানিয়েছেন যে, প্রতি বছর অন্তত ১,২০০ জনকে ইসরাইলে আনার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
সরকারি পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে এই সম্প্রদায়ের বাকি ৬,০০০ সদস্যকে ভারতে থেকে ইসরাইলে নিয়ে আসা হবে। ‘শাভেই ইসরাইল’ নামক সংস্থাটি এই অভিবাসন প্রক্রিয়ায় দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করছে। ১৯৯০-এর দশক থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪,০০০ সদস্য ইসরাইলে এসেছেন, তবে এখনো প্রায় ৭,০০০ জন ভারতে অবস্থান করছেন।
নতুন আসা এই সদস্যদের আপাতত নফ হাগালিল শহরের একটি আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হবে, যেখানে আগে থেকেই বনেই মেনাশে সম্প্রদায়ের বিপুল সংখ্যক মানুষ বসবাস করছেন। আগামী দুই সপ্তাহে আরও দুটি বিশেষ ফ্লাইটে এই গোত্রের আরও সদস্য ইসরাইলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন