ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে ব্রিটিশ অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কায় জরুরি ‘কোবরা’ (COBRA) বৈঠক ডেকেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। সোমবার (২৩ মার্চ) ডাউনিং স্ট্রিটে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানের হুঁশিয়ারির প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ জ্বালানি ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য।
বৈঠকে চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার (অর্থমন্ত্রী) র্যাচেল রিভস, ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার এবং জ্বালানিমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড উপস্থিত ছিলেন। ইরান সম্প্রতি হুমকি দিয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার পরিকল্পনা কার্যকর করেন, তবে তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় পাল্টা আঘাত হানবে। এই উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও ব্রিটিশ সরকারি বন্ডের দরে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর অত্যধিক নির্ভরতা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দেশটি বর্তমানে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বৈঠকে যুদ্ধের প্রভাবে সাধারণ পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর সম্ভাব্য অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং শিল্প সক্ষমতা বজায় রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। বড় ধরনের ব্যয়-সাশ্রয়ী প্যাকেজ এখনই ঘোষণা না করলেও, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক কিছু সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে ব্রিটিশ সরকার।
মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট বিশ্ববাজারের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সামাল দিতে স্টারমার প্রশাসন এখন থেকেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
ইরান ও পশ্চিমা বিশ্বের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে ব্রিটিশ অর্থনীতিতে বড় ধরনের ধস নামার আশঙ্কায় জরুরি ‘কোবরা’ (COBRA) বৈঠক ডেকেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। সোমবার (২৩ মার্চ) ডাউনিং স্ট্রিটে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানের হুঁশিয়ারির প্রেক্ষাপটে ব্রিটিশ জ্বালানি ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই বৈঠকের মূল লক্ষ্য।
বৈঠকে চ্যান্সেলর অব দ্য এক্সচেকার (অর্থমন্ত্রী) র্যাচেল রিভস, ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার এবং জ্বালানিমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড উপস্থিত ছিলেন। ইরান সম্প্রতি হুমকি দিয়েছে যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জ্বালানি অবকাঠামো ধ্বংস করার পরিকল্পনা কার্যকর করেন, তবে তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর জ্বালানি ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থায় পাল্টা আঘাত হানবে। এই উত্তেজনার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ও ব্রিটিশ সরকারি বন্ডের দরে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে।
যুক্তরাজ্যের অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর অত্যধিক নির্ভরতা এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে দেশটি বর্তমানে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বৈঠকে যুদ্ধের প্রভাবে সাধারণ পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর সম্ভাব্য অর্থনৈতিক চাপ, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এবং শিল্প সক্ষমতা বজায় রাখার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অর্থমন্ত্রী র্যাচেল রিভস জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রয়েছে। বড় ধরনের ব্যয়-সাশ্রয়ী প্যাকেজ এখনই ঘোষণা না করলেও, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক কিছু সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করছে ব্রিটিশ সরকার।
মধ্যপ্রাচ্যের এই সংকট বিশ্ববাজারের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা সামাল দিতে স্টারমার প্রশাসন এখন থেকেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন