ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা শুরুর ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে এক গোপন ফোনালাপে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাজি করান ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এক সময় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কোনো যুদ্ধ শুরুর বিরুদ্ধে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো ট্রাম্পকে মূলত ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ‘লোভ’ দেখিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। গোয়েন্দা ব্রিফিংয়ের বরাতে আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু উভয়েই গোয়েন্দা সূত্রে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তার প্রধান সহযোগীরা তেহরানের একটি নির্দিষ্ট কম্পাউন্ডে বৈঠকে বসবেন। নেতানিয়াহু এই সুযোগটিকে একটি ‘ডিক্যাপিশন স্ট্রাইক’ বা শীর্ষ নেতৃত্বকে সমূলে নির্মূল করার মোক্ষম সুযোগ হিসেবে ট্রাম্পের সামনে তুলে ধরেন। ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের সরাসরি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড এড়িয়ে চললেও, সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে খতম করার এই প্রলোভন শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পকে যুদ্ধে নামতে প্রলুব্ধ করে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই আগ্রাসনের পর ইরানও হাত গুটিয়ে বসে থাকেনি। ইতোমধ্যে ইসরায়েলি ও মার্কিন ঘাঁটিতে ৭৭ বারের মতো পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান। এমনকি গতকাল উত্তর ইসরায়েলে ইরানি মিসাইলের মুখে খোদ ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের দৌড়ে পালানোর ঘটনাও বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার দিকে মোড় নিয়েছে, যেখানে শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে নেওয়া এই ‘মারাত্মক পরিকল্পনা’ যুদ্ধের গতিপ্রকৃতিকে চিরতরে বদলে দিতে পারে।

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
ইরানের ওপর ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলা শুরুর ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে এক গোপন ফোনালাপে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাজি করান ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এক সময় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন কোনো যুদ্ধ শুরুর বিরুদ্ধে নির্বাচনি প্রচারণা চালানো ট্রাম্পকে মূলত ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ‘লোভ’ দেখিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। গোয়েন্দা ব্রিফিংয়ের বরাতে আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু উভয়েই গোয়েন্দা সূত্রে নিশ্চিত হয়েছিলেন যে, আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি এবং তার প্রধান সহযোগীরা তেহরানের একটি নির্দিষ্ট কম্পাউন্ডে বৈঠকে বসবেন। নেতানিয়াহু এই সুযোগটিকে একটি ‘ডিক্যাপিশন স্ট্রাইক’ বা শীর্ষ নেতৃত্বকে সমূলে নির্মূল করার মোক্ষম সুযোগ হিসেবে ট্রাম্পের সামনে তুলে ধরেন। ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের সরাসরি রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড এড়িয়ে চললেও, সর্বোচ্চ নেতৃত্বকে খতম করার এই প্রলোভন শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পকে যুদ্ধে নামতে প্রলুব্ধ করে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই আগ্রাসনের পর ইরানও হাত গুটিয়ে বসে থাকেনি। ইতোমধ্যে ইসরায়েলি ও মার্কিন ঘাঁটিতে ৭৭ বারের মতো পাল্টা হামলা চালিয়েছে তেহরান। এমনকি গতকাল উত্তর ইসরায়েলে ইরানি মিসাইলের মুখে খোদ ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের দৌড়ে পালানোর ঘটনাও বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এই মুহূর্তে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এক ভয়াবহ অনিশ্চয়তার দিকে মোড় নিয়েছে, যেখানে শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্য করে নেওয়া এই ‘মারাত্মক পরিকল্পনা’ যুদ্ধের গতিপ্রকৃতিকে চিরতরে বদলে দিতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন