যশোর-মাগুরা মহাসড়কে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন সদস্যের প্রাণহানি ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত ২টার দিকে বাঘারপাড়া উপজেলার গাইদঘাট নামক স্থানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—মণিরামপুর উপজেলার ফাতেহাবাদ গ্রামের মজিদ সরদার (৭০), তার ছেলে মাহমুদ হাসান জাকারিয়া জনি (৪৩) এবং জনির মাত্র চার বছর বয়সী মেয়ে সেহেরিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা চুয়াডাঙ্গায় আত্মীয়ের বাড়ি থেকে প্রাইভেটকার যোগে নিজেদের বাড়ি ফিরছিলেন। পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের গাড়িটি রাস্তার পাশের একটি বিশাল বট গাছের সাথে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই একই পরিবারের তিন প্রজন্মের তিন সদস্য নিহত হন। দুর্ঘটনায় গাড়িতে থাকা আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে বাঘারপাড়া থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে হতাহতদের যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বারবাজার হাইওয়ে থানার এসআই জাহিদ জানান, যেহেতু পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই, তাই আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একই সাথে বাবা, ছেলে ও নাতনিকে হারিয়ে পুরো ফাতেহাবাদ গ্রামে এখন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঈদের আমেজ কাটতে না কাটতেই এমন বিয়োগান্তক ঘটনায় এলাকায় শোকাতুর পরিবেশ বিরাজ করছে।

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
যশোর-মাগুরা মহাসড়কে এক ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিন সদস্যের প্রাণহানি ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) রাত ২টার দিকে বাঘারপাড়া উপজেলার গাইদঘাট নামক স্থানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন—মণিরামপুর উপজেলার ফাতেহাবাদ গ্রামের মজিদ সরদার (৭০), তার ছেলে মাহমুদ হাসান জাকারিয়া জনি (৪৩) এবং জনির মাত্র চার বছর বয়সী মেয়ে সেহেরিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তারা চুয়াডাঙ্গায় আত্মীয়ের বাড়ি থেকে প্রাইভেটকার যোগে নিজেদের বাড়ি ফিরছিলেন। পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদের গাড়িটি রাস্তার পাশের একটি বিশাল বট গাছের সাথে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই একই পরিবারের তিন প্রজন্মের তিন সদস্য নিহত হন। দুর্ঘটনায় গাড়িতে থাকা আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন, যাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
খবর পেয়ে বাঘারপাড়া থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার অভিযান চালিয়ে হতাহতদের যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন। বারবাজার হাইওয়ে থানার এসআই জাহিদ জানান, যেহেতু পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ নেই, তাই আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহগুলো স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
একই সাথে বাবা, ছেলে ও নাতনিকে হারিয়ে পুরো ফাতেহাবাদ গ্রামে এখন শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ঈদের আমেজ কাটতে না কাটতেই এমন বিয়োগান্তক ঘটনায় এলাকায় শোকাতুর পরিবেশ বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন