ইরানের রাজধানী তেহরানের উত্তরাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলায় এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক এবং তার দুই সন্তান প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে আল জাজিরা মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এই মর্মান্তিক খবরটি নিশ্চিত করেছে।
নিহত শিক্ষকের নাম ড. সাঈদ শামঘাদারি। তিনি ইরান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (IUST) সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। হামলায় তার সাথে প্রাণ হারিয়েছে তার ছেলে মোহাম্মদ এবং মেয়ে রেইহানেহ।
হামলার প্রেক্ষাপট: তেহরানের একটি আবাসিক এলাকায় এই হামলা চালানো হয়। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক শোকবার্তায় একে একটি ‘মর্মান্তিক ক্ষতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। উল্লেখ্য, এর আগেও ইরানের অস্ত্র উন্নয়ন ও গবেষণার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা ও সামরিক বাহিনী সুনির্দিষ্ট হামলা (Targeted Strikes) চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে তেহরানের আবাসিক এলাকায় এটি অন্যতম একটি প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা। ড. সাঈদের মতো একজন একাডেমিশিয়ান ও তার নিরপরাধ সন্তানদের মৃত্যুতে দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানের উত্তরাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভয়াবহ বিমান হামলায় এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক এবং তার দুই সন্তান প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাতে আল জাজিরা মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) এই মর্মান্তিক খবরটি নিশ্চিত করেছে।
নিহত শিক্ষকের নাম ড. সাঈদ শামঘাদারি। তিনি ইরান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির (IUST) সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। হামলায় তার সাথে প্রাণ হারিয়েছে তার ছেলে মোহাম্মদ এবং মেয়ে রেইহানেহ।
হামলার প্রেক্ষাপট: তেহরানের একটি আবাসিক এলাকায় এই হামলা চালানো হয়। ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক শোকবার্তায় একে একটি ‘মর্মান্তিক ক্ষতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। উল্লেখ্য, এর আগেও ইরানের অস্ত্র উন্নয়ন ও গবেষণার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা ও সামরিক বাহিনী সুনির্দিষ্ট হামলা (Targeted Strikes) চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধে তেহরানের আবাসিক এলাকায় এটি অন্যতম একটি প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা। ড. সাঈদের মতো একজন একাডেমিশিয়ান ও তার নিরপরাধ সন্তানদের মৃত্যুতে দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন