যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর বা পেন্টাগনের ভেতর থেকে দীর্ঘদিনের পরিচিত ‘করেসপন্ডেন্টস করিডোর’ বা সংবাদমাধ্যমের অফিসগুলো সরিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ট্রাম্প প্রশাসনের বিতর্কিত ‘সাংবাদিক অনুমতিপত্র’ (Credential) নীতিমালা একটি জেলা আদালত বাতিল করে দেওয়ার পর পেন্টাগন এই পদক্ষেপ নিল। খবর আল জাজিরা।
ঘটনার প্রেক্ষাপট: গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন পেন্টাগনে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য একটি নতুন নিয়ম চালু করে। সেখানে সাংবাদিকদের একটি বিশেষ নথিতে স্বাক্ষর করতে হতো, যেখানে শর্ত ছিল—তারা পেন্টাগনের অনুমতি ছাড়া কোনো তথ্য সংগ্রহ বা গোপন কোনো নথি প্রকাশ করতে পারবেন না। এই নিয়মকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পরিপন্থী আখ্যা দিয়ে 'দ্য নিউইয়র্ক টাইমস' আদালতে মামলা করলে আদালত নীতিমালার বিপক্ষে রায় দেয়।
নতুন বিধিনিষেধ: আদালতের রায়ে নীতিমালাটি বাতিল হলেও পেন্টাগন এখন সরাসরি সংবাদ অফিসগুলোই ভবন থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল জানিয়েছেন:
সাংবাদিকদের জন্য নির্ধারিত বর্তমান করিডোরটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।
সংবাদ অফিসগুলো পেন্টাগনের মূল ভবনের বাইরে অন্য একটি (অপ্রকাশিত) ভবনে স্থানান্তর করা হবে।
সাংবাদিকরা সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে বা সাক্ষাৎকার নিতে পেন্টাগনে প্রবেশ করতে পারলেও, ভবনের ভেতরে অবস্থানকালে সার্বক্ষণিক একজন সরকারি কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে থাকবেন।
সংবাদকর্মীরা পেন্টাগনের এই সিদ্ধান্তকে তথ্য প্রবাহে বাধা দেওয়ার একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন। যদিও পেন্টাগন একে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দাবি করছে।

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর বা পেন্টাগনের ভেতর থেকে দীর্ঘদিনের পরিচিত ‘করেসপন্ডেন্টস করিডোর’ বা সংবাদমাধ্যমের অফিসগুলো সরিয়ে নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ট্রাম্প প্রশাসনের বিতর্কিত ‘সাংবাদিক অনুমতিপত্র’ (Credential) নীতিমালা একটি জেলা আদালত বাতিল করে দেওয়ার পর পেন্টাগন এই পদক্ষেপ নিল। খবর আল জাজিরা।
ঘটনার প্রেক্ষাপট: গত বছর ট্রাম্প প্রশাসন পেন্টাগনে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য একটি নতুন নিয়ম চালু করে। সেখানে সাংবাদিকদের একটি বিশেষ নথিতে স্বাক্ষর করতে হতো, যেখানে শর্ত ছিল—তারা পেন্টাগনের অনুমতি ছাড়া কোনো তথ্য সংগ্রহ বা গোপন কোনো নথি প্রকাশ করতে পারবেন না। এই নিয়মকে সংবাদপত্রের স্বাধীনতার পরিপন্থী আখ্যা দিয়ে 'দ্য নিউইয়র্ক টাইমস' আদালতে মামলা করলে আদালত নীতিমালার বিপক্ষে রায় দেয়।
নতুন বিধিনিষেধ: আদালতের রায়ে নীতিমালাটি বাতিল হলেও পেন্টাগন এখন সরাসরি সংবাদ অফিসগুলোই ভবন থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পারনেল জানিয়েছেন:
সাংবাদিকদের জন্য নির্ধারিত বর্তমান করিডোরটি বন্ধ করে দেওয়া হবে।
সংবাদ অফিসগুলো পেন্টাগনের মূল ভবনের বাইরে অন্য একটি (অপ্রকাশিত) ভবনে স্থানান্তর করা হবে।
সাংবাদিকরা সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিতে বা সাক্ষাৎকার নিতে পেন্টাগনে প্রবেশ করতে পারলেও, ভবনের ভেতরে অবস্থানকালে সার্বক্ষণিক একজন সরকারি কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে থাকবেন।
সংবাদকর্মীরা পেন্টাগনের এই সিদ্ধান্তকে তথ্য প্রবাহে বাধা দেওয়ার একটি কৌশল হিসেবে দেখছেন। যদিও পেন্টাগন একে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত হিসেবে দাবি করছে।

আপনার মতামত লিখুন