পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি কাটিয়ে আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নবগঠিত বিশেষ কমিটির প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়: গত ১৫ মার্চ গঠিত এই বিশেষ কমিটির ওপর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ গভীরভাবে পর্যালোচনা করাই এই কমিটির প্রধান কাজ। কমিটি যাচাই-বাছাই করে সুপারিশ করবে:
কোন অধ্যাদেশগুলো আইন হিসেবে বহাল রাখা হবে।
কোন অধ্যাদেশগুলো বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাতিল করা প্রয়োজন।
আইনি বাধ্যবাধকতা: উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান এই ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করেন। সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী, উত্থাপনের পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এই অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। কমিটির সুপারিশের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী সংসদীয় প্রক্রিয়ায় এই অধ্যাদেশগুলোর ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর আইনি বৈধতা ও ধারাবাহিকতা রক্ষার ক্ষেত্রে এই বিশেষ কমিটির ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
পবিত্র ঈদুল ফিতরের ছুটি কাটিয়ে আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের ক্যাবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে নবগঠিত বিশেষ কমিটির প্রথম গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন।
বৈঠকের মূল আলোচ্য বিষয়: গত ১৫ মার্চ গঠিত এই বিশেষ কমিটির ওপর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ গভীরভাবে পর্যালোচনা করাই এই কমিটির প্রধান কাজ। কমিটি যাচাই-বাছাই করে সুপারিশ করবে:
কোন অধ্যাদেশগুলো আইন হিসেবে বহাল রাখা হবে।
কোন অধ্যাদেশগুলো বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাতিল করা প্রয়োজন।
আইনি বাধ্যবাধকতা: উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ সংসদের প্রথম অধিবেশনে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান এই ১৩৩টি অধ্যাদেশ সংসদে উত্থাপন করেন। সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী, উত্থাপনের পরবর্তী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে এই অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। কমিটির সুপারিশের ওপর ভিত্তি করেই পরবর্তী সংসদীয় প্রক্রিয়ায় এই অধ্যাদেশগুলোর ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর আইনি বৈধতা ও ধারাবাহিকতা রক্ষার ক্ষেত্রে এই বিশেষ কমিটির ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন