মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন করে ঘি ঢেলেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারি। মার্কিন সামরিক বাহিনী যদি ইরানের অবকাঠামোতে কোনো আঘাত হানে, তবে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অচল’ করে দেওয়ার পাশাপাশি আরব উপসাগরে থাকা মার্কিন সব জাহাজ ‘ডুবিয়ে’ দেওয়ার হুমকি দিয়েছে তেহরান।
মহসেন রেজায়ির কঠোর বার্তা: আইআরজিসির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং ইরানের প্রভাবশালী ‘এক্সপেডিয়েন্সি ডিসসার্নমেন্ট কাউন্সিল’-এর সদস্য মহসেন রেজায়ি মঙ্গলবার এই কড়া বার্তা দেন। তিনি বলেন, "আমেরিকাকে বাঁচানোর চূড়ান্ত সময় ঘনিয়ে আসছে" এবং এই সংঘাতের জলাভূমি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্ধারের খুব বেশি সময় বাকি নেই।
হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস ও বিদ্যুৎ স্থাপনায় নতুন করে হামলার খবর পাওয়া গেছে:
গ্যাস স্থাপনায় আঘাত: ইসফাহানের কাভেহ স্ট্রিটে অবস্থিত গ্যাস প্রশাসন ভবন এবং গ্যাস প্রেশার রেগুলেশন স্টেশনে হামলা চালানো হয়েছে। আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, এসব স্থাপনা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পাইপলাইনে হামলা: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খোররামশাহর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্যাস পাইপলাইনেও একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হেনেছে। তবে স্থানীয় গভর্নরের মতে, সরবরাহ ব্যবস্থা এখনও সচল রয়েছে।
আক্রমণকারী: এই হামলার জন্য ‘ইহুদিবাদী ও মার্কিন শত্রুদের’ দায়ী করেছে ইরান।
ট্রাম্পের অবস্থান বনাম বাস্তব চিত্র: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইরানের সাথে আলোচনা "খুব ভালোভাবেই চলছে" এবং তিনি ৫ দিনের জন্য হামলা স্থগিত করেছেন। বিশেষ করে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার শর্তে তিনি এই নমনীয়তা দেখান। কিন্তু ইরানের সরকারি মাধ্যমগুলো এবং মাঠ পর্যায়ের হামলাগুলো ট্রাম্পের এই দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। ইরানের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে না।

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে নতুন করে ঘি ঢেলেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সাম্প্রতিক হুঁশিয়ারি। মার্কিন সামরিক বাহিনী যদি ইরানের অবকাঠামোতে কোনো আঘাত হানে, তবে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অচল’ করে দেওয়ার পাশাপাশি আরব উপসাগরে থাকা মার্কিন সব জাহাজ ‘ডুবিয়ে’ দেওয়ার হুমকি দিয়েছে তেহরান।
মহসেন রেজায়ির কঠোর বার্তা: আইআরজিসির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং ইরানের প্রভাবশালী ‘এক্সপেডিয়েন্সি ডিসসার্নমেন্ট কাউন্সিল’-এর সদস্য মহসেন রেজায়ি মঙ্গলবার এই কড়া বার্তা দেন। তিনি বলেন, "আমেরিকাকে বাঁচানোর চূড়ান্ত সময় ঘনিয়ে আসছে" এবং এই সংঘাতের জলাভূমি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্ধারের খুব বেশি সময় বাকি নেই।
হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হামলা স্থগিতের ঘোষণার মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস ও বিদ্যুৎ স্থাপনায় নতুন করে হামলার খবর পাওয়া গেছে:
গ্যাস স্থাপনায় আঘাত: ইসফাহানের কাভেহ স্ট্রিটে অবস্থিত গ্যাস প্রশাসন ভবন এবং গ্যাস প্রেশার রেগুলেশন স্টেশনে হামলা চালানো হয়েছে। আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, এসব স্থাপনা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
পাইপলাইনে হামলা: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খোররামশাহর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গ্যাস পাইপলাইনেও একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হেনেছে। তবে স্থানীয় গভর্নরের মতে, সরবরাহ ব্যবস্থা এখনও সচল রয়েছে।
আক্রমণকারী: এই হামলার জন্য ‘ইহুদিবাদী ও মার্কিন শত্রুদের’ দায়ী করেছে ইরান।
ট্রাম্পের অবস্থান বনাম বাস্তব চিত্র: প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ইরানের সাথে আলোচনা "খুব ভালোভাবেই চলছে" এবং তিনি ৫ দিনের জন্য হামলা স্থগিত করেছেন। বিশেষ করে কৌশলগত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার শর্তে তিনি এই নমনীয়তা দেখান। কিন্তু ইরানের সরকারি মাধ্যমগুলো এবং মাঠ পর্যায়ের হামলাগুলো ট্রাম্পের এই দাবিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। ইরানের পক্ষ থেকে সাফ জানানো হয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে কোনো ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনা চলছে না।

আপনার মতামত লিখুন