যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান বিধ্বংসী যুদ্ধ থামাতে এক শক্তিশালী মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে পাকিস্তান। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলামাবাদ ইতিমধ্যেই ওয়াশিংটন এবং তেহরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন ও প্রকাশ্য উভয় চ্যানেলে আলোচনা শুরু করেছে।
কূটনৈতিক তৎপরতার মূল দিকগুলো:
আসিম মুনিরের ভূমিকা: গত রবিবার (২২ মার্চ) পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই আলোচনার পরেই ট্রাম্প তার পূর্বঘোষিত কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসে ৫ দিনের জন্য হামলা স্থগিতের ঘোষণা দেন।
গোপন চ্যানেলে যোগাযোগ: পাকিস্তানের কর্মকর্তারা ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। একই সঙ্গে তেহরানের নীতিনির্ধারকদের কাছেও মার্কিন প্রস্তাবগুলো পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
আঞ্চলিক জোট: এই মধ্যস্থতা মিশনে পাকিস্তানের সঙ্গে মিসর ও তুরস্কও যোগ দিয়েছে। তবে পুরো প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিচ্ছে পাকিস্তান।
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের উদ্যোগ: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ব্যক্তিগতভাবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি ঈদ ও নওরোজের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি সংকটের স্থায়ী সমাধানে ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি সংলাপে বসার জন্য পেজেশকিয়ানকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন।
ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তন: রবিবারও যেখানে ট্রাম্প 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ হামলার মাত্রা বাড়ানোর হুমকি দিয়েছিলেন, সেখানে সোমবার তার সুর লক্ষ্যণীয়ভাবে নরম হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, গত দুদিনের আলোচনা ‘খুবই ভালো’ ও ‘ফলপ্রসূ’ হয়েছে এবং এভাবে চললে মধ্যপ্রাচ্যের সহিংসতার অবসান খুব দ্রুতই সম্ভব।
যদিও ইরানের সামরিক বাহিনী (আইআরজিসি) এখনও অনড় অবস্থানের কথা বলছে, তবে পাকিস্তানের এই উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ মার্চ ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান বিধ্বংসী যুদ্ধ থামাতে এক শক্তিশালী মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে পাকিস্তান। ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক চাঞ্চল্যকর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসলামাবাদ ইতিমধ্যেই ওয়াশিংটন এবং তেহরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে গোপন ও প্রকাশ্য উভয় চ্যানেলে আলোচনা শুরু করেছে।
কূটনৈতিক তৎপরতার মূল দিকগুলো:
আসিম মুনিরের ভূমিকা: গত রবিবার (২২ মার্চ) পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই আলোচনার পরেই ট্রাম্প তার পূর্বঘোষিত কঠোর অবস্থান থেকে সরে এসে ৫ দিনের জন্য হামলা স্থগিতের ঘোষণা দেন।
গোপন চ্যানেলে যোগাযোগ: পাকিস্তানের কর্মকর্তারা ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার এবং বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। একই সঙ্গে তেহরানের নীতিনির্ধারকদের কাছেও মার্কিন প্রস্তাবগুলো পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
আঞ্চলিক জোট: এই মধ্যস্থতা মিশনে পাকিস্তানের সঙ্গে মিসর ও তুরস্কও যোগ দিয়েছে। তবে পুরো প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব দিচ্ছে পাকিস্তান।
প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের উদ্যোগ: পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ব্যক্তিগতভাবে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি ঈদ ও নওরোজের শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি সংকটের স্থায়ী সমাধানে ট্রাম্পের সঙ্গে সরাসরি সংলাপে বসার জন্য পেজেশকিয়ানকে বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন।
ট্রাম্পের অবস্থান পরিবর্তন: রবিবারও যেখানে ট্রাম্প 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ হামলার মাত্রা বাড়ানোর হুমকি দিয়েছিলেন, সেখানে সোমবার তার সুর লক্ষ্যণীয়ভাবে নরম হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, গত দুদিনের আলোচনা ‘খুবই ভালো’ ও ‘ফলপ্রসূ’ হয়েছে এবং এভাবে চললে মধ্যপ্রাচ্যের সহিংসতার অবসান খুব দ্রুতই সম্ভব।
যদিও ইরানের সামরিক বাহিনী (আইআরজিসি) এখনও অনড় অবস্থানের কথা বলছে, তবে পাকিস্তানের এই উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন